Articles by "জীবনধারা"

17 Oral Health & Mouth Problems Explained,diseases of the mouth and tongue,metronews24,metronews,metronews24 bangla,Latest Online Breaking Bangla News,Breaking Bangla News,prothom alo,bangla news,bangladesh,bangla metronews24,bangladesh newspapers,Bangla News,bd news,banglanews24,all bangla newspaper,bdnews24 bangla,bangla,bdnews24,bd news com,bangladesh daily newspaper,bdnewspaper,banglanewspaper,bangladesh newspaper,bangladesh newspaper online,breaking news bd,bd newspaper,all bd newspaper,bd news 24 bangla online,bdnews24 com bangla,daily newspaper bd,online bangla newspaper,bd news 24,bangla paper,www bd news,all bangladeshi newspaper,bd newspapers,bd news bangla,bangladesh daily newspaper,all bd newspaper,banglanewspaper,bd news 24 bangla,bangla news,bd news,bangla tv news,atn bangla news,bangla news 2018,bangladesh news,bdnews24 bangla,bdnews24,bd news 24,bd news today,bangla news today,bengali news,bd news live,bangla news live,news bangla,bangla top news,bnp news,bnp,bangla,bangladeshi news,latest bangla news,today bangla news,bangla live tv,atn bangla news today,ajker khobor,shahbag,bangladeshi, bengali, culture, portal site, dhaka, textile, garments, micro credit,dhaka news, world news, national news, bangladesh media, betar, current news,sports, bangladesh sports,atn bangla news today

Violence in the marriage of the tongue!


জিহ্বার রোগে বিয়ের বিড়ম্বনা!


মুখ ও জিহ্বার এমন কিছু রোগ রয়েছে যার কারণে পাত্র-পাত্রী ছাড়াও অভিভাবকরা বিয়ের সময় হলে বিড়ম্বনাকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। আবার কেউ কেউ রোগ লুকিয়ে রেখেও বিয়ে করে ফেলেন।

 জিহ্বার দুটি রোগের একটি হলো: জিওগ্রাফিক টাং বা মানচিত্র জিহ্বা আর অন্যটি হলো: ফিশার যুক্ত বা গর্তযুক্ত জিহ্বা।

যাদের জিহ্বায় ফিশার বা গর্ত রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে জিওগ্রাফিক টাং বা মানচিত্র জিহ্বা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ফিশারযুক্ত জিহ্বায় ফাটল এবং গর্ত জিহ্বার উপরিভাগে এবং পার্শ্বে বেশি দেখা যায়।

 কেউ কেউ মনে করেন সোরিয়াসিস রোগের কারণে জিওগ্রাফিক টাং বা মানচিত্র জিহ্বা হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এটি প্রমাণিত হয়নি। তবে কিউটেনিয়াস সোরিয়াসিস থাকলে বিষয়টি রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিবেচনায় আনা যেতে পারে প্রমাণ সাপেক্ষে।

জিওগ্রাফিক টাং হলে জিহ্বা দেখতে খুব খারাপ দেখা যায়। এটি ভাল হলে কিছু দিন পর দেখা যায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পুনরায় সৃষ্টি হয় এবং রোগীর মাঝে একটি আতংক তৈরি হয়।

 তবে জিওগ্রাফিক টাং বা জিহ্বা ও ফিশারযুক্ত জিহ্বা একসাথে দেখা দিলে এবং ফাটল বা গর্তগুলো খুব বড় আকারের হলে অবশ্যই যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

জিওগ্রাফিক টাং বা জিহ্বা থাকলে বিয়ে করতে কোনো সমস্যা নাই। কারণ জিওগ্রাফিক টাং বা মানচিত্র জিহ্বা কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। অর্থাৎ স্বামী থেকে স্ত্রী বা স্ত্রী থেকে স্বামীতে ছড়াতে পারে না।

তবে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস জণিত কিছু মারাত্মক আলসার বা ঘা জণিত ঠোঁট ও জিহ্বার সমস্যায় চিকিৎসা গ্রহণ করে তবেই বিয়ে করা উচিত। 

Ways to Drop Hints to a Girl That You Like Her

ভালোবাসার আগে মেয়েরা যে ৫ টি ইঙ্গিত দেয়!

প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন । কিন্তু আগ বাড়িয়ে মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দেবেন, সেই সাহস নেই। আবার বুঝবেন কী করে, তারও দুর্বলতা আছে কি নেই।

আসলে মেয়েরা ভালোবাসার কথা কখনও মুখে বলে না। তবে ভালোবাসার আগে মেয়েরা তার পছন্দের মানুষটিকে অনন্ত ৫ টি ইঙ্গিতের মাধ্যেমে বোঝানোর চেষ্ট করে যে, সেও আপনাকে ভালবাসে।

১।  চুল নিয়ে খেলা-

নিরিবিলিতে থাকলে দেখবেন, মেয়েটি একটু ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে। আপনার সঙ্গে কথা বলার সময় চুল নিয়ে খেলে যাচ্ছে আনমনে। চোখের দিকে তাকালে বুঝবেন, তার শরীরী ভাষাই বলে দিচ্ছে, কী চায় আর কী চায় না। নির্ভাবনায় তাকে বলতে পারেন।

২। চোখে চোখে কথা বল

আপনাকে যদি অপছন্দ হয়, কোনও মেয়েই আপনার সঙ্গে ঘুরতে যেতে রাজি হবে না। যদি দেখেন মেয়েটি আপনার কথা মন দিয়ে শুনছে, পলক পড়ছে না, একদৃষ্টে আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে, বুঝবেন তার মনে আপনার জন্য একটা জায়গা রয়েছে।

৩।  চলও না কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসি-

যদি দেখেন মেয়েটি আপনাকে বারবার বলছে, কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য, বুঝবেন, স্বস্তি বোধ না করলে কখনই বলত না। জানবেন, নিরিবিলিতে আপনার সঙ্গ পেতেই এভাবে অনুরোধ করছে।

৪। কথায় কথায় হেসে লুটোপুটি-

ধরুন কলেজ ক্যান্টিনে বা কফিশপে বসে বন্ধুরা চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন। সেখানে সেই মেয়েটিও আছে। তার মনোযোগ কাড়তে আপনি হয়তো মজা করে কিছু বলার চেষ্টা করছেন। জানেন যদিও তাতে কারও হাসি পাবে না। দেখলেন কেউ হাসলও না। একমাত্র সে ছাড়া। বুঝবেন, এও প্রেমেরই লক্ষণ।

৫। রেগে আগুন-

মেয়েটির সামনে ভুলেও যদি অন্য মেয়ের প্রশংসা করেছেন বা কিঞ্চিত আগ্রহ দেখিয়েছেন, দেখবেন হাসিখুশি মুখটা কেমন বর্ষার মেঘের মতো কালো হয়ে যায়।

রাগের মাথায়, যা নয় তাই দু-কথা আপনাকে শুনিয়েও দিতে পারে। নিশ্চিত থাকুন, মেয়েটি আপনাকে ভালোবাসে।

According to experts, 'rice is harmful to the body'
বিশেষজ্ঞদের মতে 'ভাত শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক'
দিনে শেষে ভাত ছাড়া বাঙালির খাদ্য তালিকা অসম্পূর্ণ। দেশের একাংশ মানুষই এর উপর নির্ভরশীল। আর সেই ভাতেই নাকি সমস্যা।

 ভাতের মধ্যেই লুকিয়ে এই ক্ষতিকারক উপাদানটি।



ভাত নারীদের মেনোপজকে সময়সীমাকে তরান্বিত করে। গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য। ইতিমধ্যেই ওজন বাড়ানোর জন্য ভাতকে দায়ী করেছেন অনেকে।

শুধুমাত্র ভাত নয়, কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ যে কোন উপাদানই থাকছে সেই তালিকায়। বাদ যায়নি পাস্তাও। জার্নাল অফ এপিডেমিওলজি অ্যাণ্ড কমিউনিটি হেলথ গবেষণার ফলটি প্রকাশ করে।

১৪,১৫০ জন নারীর উপর পরীক্ষার ফল হিসেবে উঠে এসেছে তথ্যটি। বিষয়টি নিয়ে এক গবেষক মন্তব্য করেন, আর্লি মেনোপজের অনেক কারণ থাকতে পারে। 

তার মধ্যে জেনেটিক কারণ হতে পারে অন্যতম। এবার গবেষকরা আলোকপাত করছেন অন্য দিকে। বিষয়টি ডায়েট।

চার বছর পর একই (১৪,১৫০ জন) নারীদের উপর আবার একটি ফলো-আপ সার্ভে করা হয়। মেনোপজ শুরু হওয়ার স্বাভাবিক সময় ধরা হয় ৫১ কে।

কিন্তু, খাদ্য তালিকায় অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটের সংযোজন মেনোপজকে তরান্বিত (১ বছর) করতে পারে। 

অন্য এক গবেষক জানান, সঠিক সময়ের পূর্বে মেনোপজ একাধিক শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে। হাড়ের ক্ষয়জনিত রোগ দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে নির্দিষ্ট সময়ের পরে মেনোপজ ক্যান্সারের ঝুঁকিকে বাড়ায়।

একটি সঠিক খাদ্য তালিকা বহু রোগ মুক্তির কারণ হতে পারে বলে জানাচ্ছেন একদল বিশেষজ্ঞ। তারা বেশি পরিমাণে কড়াইশুঁটি, গ্রীণ বীণসহ ওমোগা ৩ সমৃদ্ধ খাবার পরামর্শ দিচ্ছেন।

women get fat after marriage
রেহনুমার নতুন বিয়ে হয়েছে। বিয়ের আগে সে ভালোই স্লিম ছিল। তবে বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই যে দেখছে সেই বলছে সে হঠাৎ করে মুটিয়ে যাচ্ছে সে। এছাড়া খুবই দ্রুত।

বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত হয়ে পরে রেহনুমা। টেনশনে পরে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেন রেহনুমা। কিন্তু তাতে হিতে-বিপরীত হতে থাকে। কারণ না খেয়ে, টেনশনে না ঘুমিয়ে রেহনুমা দিন দিন আরো মোটা হতে শুরু করে।

এই ঘটনা শুধু রেহনুমার ক্ষেত্রে সব নারীরাই বিয়ের পরপরই মোটা হতে থাকেন। কেন, কিভাবে মোটা হচ্ছে না বুঝেই অনিয়ম করে শরীর আরো ভারি করে ফেলেন। আসুন কারণগুলো জেনে নেই এবং মেনে চলার চেষ্টা করে শরীরকে ফিট রাখি।

১.সঠিক খাদ্যাভ্যাস না মানা:


বিয়ের আগে আকর্ষণীয় ফিগারের অধিকারী হতে অনেক মেয়ে কঠিন ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস মেনে চলে। চর্বিযুক্ত খাবার, কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার, ফাস্ট ফুড সব কিছুতেই তখন তাদের ‘না’ থাকে।

ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সব সময়ই একটা তাগিদ থাকে। তবে অনেকেই বিয়ের পর এই খাদ্যাভ্যাস আর ঠিকমতো মেনে চলতে পারে না।

২.ভাজা খাবার এবং তেল জাতীয় খাবার:


বিয়ের পর বিভিন্ন দাওয়াতে গিয়ে বা বাড়িতে অতিথি এলে ভাজা খাবার এবং তেল জাতীয় খাবারগুলোই বেশি খাওয়া হয়। এ কারণে ওজন দ্রুত বেড়ে যায়। আবার অনেক মেয়েই নতুন নতুন রেসিপি রান্না করে পরিবারের লোকজনকে খাওয়াতে ভালোবাসেন।

এটিও ওজন বাড়ার একটি বড় কারণ। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, পরিবারের সবাইকে ভালো ভালো খাবার খাওয়াতে ভালোই লাগে, তবে এর মানে এই নয় যে, আপনাকেও সে সব খাবার চেখে দেখতে হবে!

৩.নিজের জন্য সময় নেই:


বিয়ের পর নতুন সম্পর্ক, নতুন মানুষজন, সব কিছুর ভিড়ে নিজের জন্য সময় বের করা বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তখন গুরুত্ব বদলে যায় বা অগ্রাধিকার বদলে যায়, ফলে নিজের প্রতি আর নজর দেওয়া হয় না, ব্যায়াম তো দূরের বিষয়। বিয়ের পর মুটিয়ে যাওয়া এটি একটি বড় কারণ।

আগে হয়তো ব্যায়ামের জন্য বা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস পালনের জন্য সময় বের করতেন, তবে বিয়ের পর এগুলো আর হয়ে ওঠে না। পরিবারের সদস্যদের সময় দিতে গিয়ে বা সংসারের কাজের ঝামেলায় নিজের জন্য আর সময়ই পাওয়া যায় না। মুটিয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা ভেবে তাই নিজের জন্য সময় বের করুন। খাওয়াদাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করুন।

৪. বাইরের খাবার:

বিয়ের পর মেয়েদের ওজন বেড়ে যাওয়ার আরেকটি কারণ রান্না এড়িয়ে যাওয়া এবং বাইরের খাবার খাওয়া। অনেকেই বিয়ের পর রান্নার ক্ষেত্রে অতটা পটু থাকেন না, তখন বাইরের খাবার হয় ভরসা। বাইরের খাবার বা হোটেলের খাবারে প্রচুর তেল দেওয়া হয়। এই অস্বাস্থ্যকর খাবার ওজন বাড়িয়ে দেয়।

৫.গর্ভধারণের জন্য:

গর্ভধারণের কারণে অধিকাংশ নারী ওজন বাড়িয়ে ফেলেন। গবেষণায় দেখা যায়, প্রায় ১০ থেকে ১২ কেজি ওজন এই সময়টায় বেড়ে যায়।

৬. জন্মনিয়ন্ত্রক পদ্ধতি:
জন্মনিয়ন্ত্রক পদ্ধতি গ্রহণ যেমন পিল বা ইনজেকশন এসব গ্রহণের কারণেও বিয়ের পর মেয়েরা মোটা হয়ে যায়।

৭.নিজেদের কাছে বেশি সময় থাকতে চাওয়া:

অনেক স্বামীই রয়েছেন, যারা বেশি সময় ধরে স্ত্রীর সঙ্গ পছন্দ করেন। যার জন্য হয়তো স্ত্রীর আর ব্যায়াম করা হয়ে ওঠে না। পরস্পরের বোঝাপড়ার জন্য এটি অবশ্যই ভালো।

তবে স্বাস্থ্যকেও তো গুরুত্ব দিতে হবে। তাই স্বামীকেও উদ্বুদ্ধ করুন আপনার সঙ্গে ব্যায়াম করতে। অথবা দুজনে একত্রে কোনো জিমে ভর্তি হয়ে যেতে পারেন।

৮. আলস্য
অলস লোকেরা শুধু খায় আর ঘুমায়। শরীরকে ফিট এবং কর্মক্ষম রাখার জন্য আর কোনো কাজ করে না।

বিয়ের পর অনেকে ব্যস্ত হয়ে পড়ে আবার অনেকে নিজের প্রতি এতই অবহেলা দেখায় যে শরীরের যত্ন নেয় না। বিয়ের পর ওজন বাড়ার বড় কারণ এই আলস্য।

Taking too many selfies may cause wrinkles

স্মার্টফোন আসার পরে সাধারণ মানুষের জীবনে যে নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে, তার মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বোধহয় ‘সেলফি’।


স্মার্টফোনের ফ্রন্ট-ক্যামেরার দৌলতে এখন নিজেই নিজের ছবি তুলতে পারেন স্মার্টফোন ইউজাররা। 


তবে খুঁটিয়ে দেখলে বোঝা যায় যে, কারও তুলে দেওয়া ছবির তুলনায় সেলফি অনেক বেশি বাঁকাচোরা হয়।

 এমনই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম হাফিংটন পোস্ট'র এক প্রতিবেদনে। মূলত ৩টি কারণ দর্শানো হয়েছে এমন বাঁকা ছবির জন্য—

১। আয়নায় প্রতিবিম্বই এক্সপেক্ট করে সকলে-

মানুষের মুখের প্রোফাইল দু’দিকে সমান হয় না। আর ছোটবেলা থেকেই আমরা আয়নায় নিজেদের দেখে অভ্যস্ত। এবং আমরা এটাই মনে করি যে, অন্যরাও আমাদের আয়নার প্রতিফলনের মতোই দেখে।

কিন্তু, আদতে তা হয় না সেলফি তোলার সময়। ফলে সেখানে নিজেকে খানিক বাঁকাই লাগে।

২। পরিচিত মুখ দেখে অভ্যস্ত-

মানুষ সারাক্ষণ যা দেখে, তাতেই অভ্যস্ত হয়ে যায়। এবং সেটাই পছন্দ করতে শুরু করে। যে কারণে, ছোটবেলা থেকে আয়নায় নিজের যে প্রতিবিম্বের সঙ্গে আমরা পরিচিত থাকি, সেটাই আমাদের ভাল লাগে।

 সেলফি তুললে, স্বাভাবিকভাবেই প্রোফাইল বদলে যায়। এবং তা পছন্দ মতো হয় না।

৩। লেন্সের খেলা-

ক্যামেরার লেন্সের উপরেও অনেক সময় ছবির চরিত্র বদলে যায়। নিজেকে খানিক রোগা দেখানোর জন্য লম্বা লেন্স ব্যবহার করাই শ্রেয়।

খুব কাছ থেকে ছবি তুললে, মুখের যে অংশ লেন্সের কাছাকাছি থাকে, সেই অংশই প্রভাব ফেলে ছবিতে। সেলফি তোলার সময় সকলেই লেন্সের খুব কাছে থাকে। তাই ছবি খানিক বাঁকাচোরা ওঠে।

shaving razor blade cuts

আমরা অনেক কিছু দেখেই বিস্মিত হই। আবার কত কিছু বিস্ময়কর জিনিস আমরা দেখেও দেখি না। তেমনই এক বিস্ময়কর বস্তু হল ব্লেডের নকশা।


 যে কোম্পানির ব্লেডই হোক না কেন, লক্ষ করুন ব্লেডের ঠিক মধ্যেখানে যে নকশা, সেটা সবার ক্ষেত্রে একই রকম। কেন একই নকশা সকলেই তাদের তৈরি ব্লেডে ব্যবহার করে, তার কারণ সত্যিই বিস্ময়কর। 


এই কাহিনির সূত্রপাতের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে রয়েছে ব্লেডের জন্ম বৃত্তান্ত। আজ থেকে এক শতাব্দীরও ঢের বেশি সময় আগের কথা।

বিংশ শতাব্দীর সবে শুরু হয়েছে। ১৯০১ সালে জিলেট কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা কিং ক্যাম্প ব্লেডের নকশা তৈরি করেন। পরে ১৯০৪ সালে তৈরি হয় ব্লেড।


ততদিনে সেই নকশার পেটেন্টও পেয়ে গিয়েছেন তিনি। আশ্চর্যজনক ভাবে, সেই আদি নকশা আর আজকের দিনে ব্যবহৃত নকশার মধ্যে কোনও ফারাক নেই।

সেই সময়ে রেজারের সঙ্গে ব্লেডকে সংযুক্ত করার সময়ে নাটবল্টু ব্যবহার করা হতো। সেই কারণেই ব্লেডের মধ্যে ওই নকশা তৈরি করা হতো।

সেই নকশা অনুযায়ীই নাটবল্টুর সাহায্যে রেজারে আটকানো হতো ব্লেড। তখন থেকে সেই নকশাই চলে আসছে।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে, অন্য কোম্পানিগুলি যখন ব্লেড বানানো শুরু করল, তারাই বা কেন জিলেটের নকশাটাই অনুকরণ করতে শুরু করল? আসলে সেই সময়ে রেজার নির্মাণ করত একমাত্র জিলেটই। ফলে সেই রেজারের সঙ্গে মিলিয়ে ব্লেডের নকশা বানাতে গেলে ওই নকশাই তৈরি করতে হতো।

এই ভাবে সমস্ত কোম্পানিগুলি সেই একই নকশা বানাতে লাগল ব্লেডের। সেই নকশাই আজও চলেছে। শতাব্দী পেরিয়ে গেছে। আমূল বদলেছে পৃথিবী।

কিন্তু সেই পুরনো পৃথিবীর চিহ্ন আজও বয়ে চলেছে ব্লেডের নকশা। এ কাহিনি সত্যিই বিস্ময়কর। 

green tea extract benefits
green tea extract benefits

অন্যান্য চায়ের মতো গ্রিন টি আমাদের শরীরে জারিত হয় না। তাই এই চা অন্য চায়ের তুলনায় স্বাস্থ্যকর। অনেক রকম ফ্লেভার তো বটেই, বাজারে ভেষজ গ্রিন টিও পাওয়া যায়।


 গ্রিন টি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইড জমতে দেয় না। রক্তনালীতে এই সব ফ্যাট জমলে রক্ত সঞ্চালন বাধা পায়। 


মেটাবলিজমের মাত্রা বাড়িয়ে দ্রুত ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। গ্রিন টি পলিফেনল ও ফ্লাভনয়েডের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে পরিপূর্ণ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।


 ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। তবে দিনে কখন আর কত কাপ গ্রিন টি খাওয়া উচিৎ সেটাই হয়তো জানেন না অনেকেই। আজ জেনেন নিন বিস্তারিত-
 
পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গ্রিন টি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে পরিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও দিনে ৩ কাপের বেশি খাওয়া উচিত নয়।

 এর বেশি গ্রিন টি খেলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যেতে পারে। বেশি পরিমাণ গ্রিন টি শরীর থেকে প্রয়োজনীয় উপাদান বের করে দিতে পারে। 

সকালে মেটাবলিজমের মাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই সকালে উঠে গ্রিন টি খুবই উপকারী।

 আবার সন্ধাবেলা যখন আমাদের মেটাবলিজমের মাত্রা কমে যায় তখন গ্রি টি মেটাবলিজম মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই গ্রিন টি খাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় সকাল ১০-১১টা মধ্যে বা সন্ধাবেলা। 

সকাল ও সন্ধা দুই সময়ের জন্যই ভাল গ্রিন টি। তবে যাদের ঘুম নিয়ে সমস্যা রয়েছে তাদের সন্ধা বেলা গ্রিন টি না খাওয়াই ভাল কারণ তা ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। 

আবার যেহেতু গ্রিন টি ক্যালোরি ঝরাতে সাহায্য করে তাই খাওয়ার ১-২ ঘণ্টা পর গ্রিন টি খাওয়াও উপকারী। 

must say that jealousy is one of the most toxic feeling states that there is. I work with teen girls and boys almost every day and I see how jealousy has a corrosive effect on the relationships
ব্যক্তিগত জীবন, ক্যারিয়ার, পেশা, পারিবার ও আত্মিক শান্তিতে আপনি একজন সফল মানুষ।

যার ফলে ঈর্ষাণ্বিত কিছু চোখ আপনাকে ঘিরে রয়েছে। প্রকাশ্যে যারা আপনাকে ঈর্ষা করেন, তাদের আপনি সহজেই চিহ্নিত করতে পারেন।

কিন্তু এমন বহু মানুষ রয়েছেন, যাদের ঈর্ষা গোপন। এদের সহজে আপনি চিহ্নিত করতে পারেন না। তবে কয়েকটি লক্ষণ দেখে চিহ্নিত করা যেতে পারে এই সব গোপন ঈর্ষাকাতর মানুষদের।

তাহলে এক ঝলকে জেনে নিন কারা আপনাকে গোপনে ঈর্ষা করে-


১. লক্ষ রাখুন, কেউ আপনাকে অনুকরণ করছেন কি না। গোপনে ঈর্ষান্বিত ব্যক্তিদের এটা প্রাথমিক লক্ষণ।


২. খেয়াল রাখবেন, কেউ অযথা আপনার স্তুতি করছেন কিনা। বেশি তোষামোদকারী মানুষের মনে কিন্তু গোপন ঈর্ষা বাস করে। 


৩. কেউ যদি আপনার কোনও সাফল্যকে ছোট করে দেখেন, জানবেন, তিনি আপনার প্রতি ঈর্ষাকাতর।

৪. সর্বদা আপনার খুঁত ধরেন, এমন লোক থেকে সাবধান। এরা কিন্তু আপনার প্রতি গোপনে হিংসার জাল বুনে চলেছেন।

৫. খেয়াল রাখবেন, আপনার পিছনে কেউ কোনও গুজব রটাচ্ছেন কি না। যদি রটে, তা হলে সেই গুজব ছড়ানো ব্যক্তিকে খুঁজে বের করুন। জানবেন, তিনি কোনও গোপন ঈর্ষা থেকেই এই কাণ্ড ঘটাচ্ছেন।

৬. কেউ আপনাকে অযাচিত উপদেশ দিলে মনে করবেন সেই ব্যক্তি গোপন ঈর্ষাকারী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

Randi has a real life crossdressing adventure that takes her one step closer to freedom. Will she recoil from this experience, or will this be making

আপনি কীভাবে সফলতার সিঁড়ি চড়ছেন তা ভুলেও কাউকে জানাবেন না। এমনটা না করলে কিন্তু একদিন আপনি পিছিয়ে যাবেন, আর অন্য কেউ আপনার জায়গা নেবে।  অনেক মেধাবীরাও জীবনে সফল হতে পারে না।


 আবার কেউ কেউ অল্প মেধা নিয়েও সফলতার চূড়ায় উঠে যায়। এজন্য দৃষ্টিভঙ্গি বড় ভূমিকা রাখে। তাই দৃষ্টিভঙ্গি বদল করে ও কী করলে জীবনে সফল হতে পারবেন তা নিয়েও নিচে আলোচনা করা হল:

তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠুন:
খুব সকালে ঘুম থেকে উঠার চেষ্টা করুন। সফল মানুষেরা তা সবসময়-ই করে থাকে। খুব তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠলে দিনে কাজ ও পরিকল্পনা করার প্রচুর সময় পাবেন।  দেখবেন দিনটা অনেক বড় হয়ে যাবে। প্রথম দিকে একটু অসুবিধা হলেও ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে যাবে।

কথা কম কাজ বেশি :
প্রবাদটি আক্ষরিক অর্থেই সত্যি। সফল মানুষরা কথা কম বলেন। চুপচাপ থাকলে মনসংযোগ বাড়ে, নিজের সঙ্গে কথা বলুন। এতে কাজের মান বাড়বে।

লক্ষ্য স্থির করুন:
নিজে জীবনে কী করতে চান সেই বিষয়ে যদি আপনার স্বচ্ছ ধারনা থাকে তবেই আপনি জীবনে সফল হতে পারবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজের পুরো দিনটা মনে মনে ছকে ফেলুন। সারা দিনে কী করতে চান, কোন কাজটা আপনাকে লক্ষ্যে পৌঁছতে সাহায্য করবে তা মনে মনে ভেবে নিন। নিজেকে সফল ভাবতে শিখুন।

নিয়মিত সকালের নাস্তা করুন : 
সারা দিন আপনার মুড ভাল রাখতে, আপনার এনার্জি বাড়াতে কিন্তু সকালে ঠিক করে খাওয়া প্রয়োজন। এ দিকে রোজ সকালে দেরিতে ওঠার জন্য আপনি ব্রেকফাস্টের সময়ই পান না। ব্যস্ততার দোহাই দেবেন না। সফল মানুষরা কিন্তু কখনই ব্রেকফাস্ট বাদ দেন না। তাই রোজ উপভোগ করে ব্রেকফাস্ট করুন।

চেকলিস্ট রাখুন : 
গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে রাখবেন না। আমরা কাজ ফেলে রাখি যত ক্ষণ না সেটা আবশ্যিক হয়ে পড়ে। রোজ কী কী করবেন চেক-লিস্ট বানিয়ে ফেলুন।

শুনতে জ্ঞানগর্ভ লাগলেও এটা অত্যন্ত ভাল অভ্যাস।

নিজেক মোটিভেট করুন :
আলস্য পেয়ে বসতে দেবেন না। সব সময় নিজের লক্ষ্য সামনে রাখুন। হাসির ছবি দেখুন, মন ভাল করে এমন কাজ করুন।

 রিল্যাক্স করুন। যাতে চাপ কমে এমন কাজ করুন। এই ভাবে নিজেকে মোটিভেট করুন। স্ট্রেস ধারে কাছে ঘেঁষতে দেবেন না।

সক্রিয় হোন : 
ঘুম থেকে উঠেই কাজ শুরু করতে সমস্যা হয়। বাড়ি ফিরেও ক্লান্ত লাগে। হালকা শরীরচর্চা তাই আপনাকে সক্রিয় রাখতে জরুরি।

রোজ ঘুম থেকে হালকা ব্যয়ামের রুটিন তৈরি করে ফেলুন। এতে পেশির শিথিলতা বাড়বে, রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়ে আপনার কর্মক্ষমতা বাড়বে।

বাড়ির খাবার খান : 
অফিসে খাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে লাঞ্চ, স্ন্যাকস নিয়ে যান। সফল হতে গেলে সুস্থ থাকতে হবে। তাই বাইরের খাবার না খেয়ে বাড়ির রান্না স্বাস্থকর খাবার খান।

 এতে সময়ও বাঁচবে। কাজের ফাঁকেই খেয়ে নিতে পারবেন ফলে খাওয়ার সময়ই ঠিকঠাক থাকবে।

ডেস্ক থেকে অপ্রয়োজনীয় জিনিস ফেলে দিন:
আপনার ঘর কি অগোছালো?  অফিসের ডেস্কে প্রচুর ফালতু কাগজ? অপ্রয়োজনীয় জিনিস ফেলে দিন। বাজে কাগজ বেশি থাকলে কাজের জিনিস খুঁজে পাবেন না। অন্য দিকে ঘর অগাছালো থাকলে আপনার কাজের এনার্জিও কমবে।

রাত জাগবেন না :
বেশি রাত পর্যন্ত না জেগে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করুন। সুস্থ, সবল থাকতে রাতের ঘুম প্রয়োজনীয়। অকারণে তাই রাত জাগবেন না। ল্যাপটপ বা মোবাইলে গল্প করে সময় নষ্ট করবেন না রাতে। প্ল্যান করে কাজ করলে রাত জেগে আপনাকে ফেলে রাখা কাজও করতে হবে না।

Angry Girl Problems

কথায় আছে, 'কারোর পৌষ মাস, কারোর সর্বনাশ'। ঠিক তাই। রাগ আপনার সঙ্গিনীর জন্য পৌষ মাস হলে আপনার সর্বনাশ না হয়ে যায় কই!


এই শীতকে উপভোগ করতে হয়তো ভাবছেন বউকে নিয়ে একটা লংড্রাইভে যাবেন, তারপর ফেরার সময় কোনো রেস্তোরাঁয় ডিনার।

 কিন্তু কারণে-অকারণে আপনার বউ তিরিক্ষি মেজাজে মুডটা যাচ্ছে চটকে।

ভালো কথা বললেও মুখঝামটা। তাহলে? প্ল্যান বাতিল! দাঁড়ান একটু। গার্লফ্রেন্ড বা বউয়ের এরকম অকারণে রেগে যাওয়া, আসলে এর পিছনে রয়েছে কেমেস্ট্রি!

কথায় বলে, নারীদের মন বোঝা সাধ্য আছে কার, তো আপনি কেনও বাদ যাবেন! কিন্তু অসাধ্য কর্মসাধন করেছেন বিজ্ঞানীরা।

সম্প্রতি ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, মেয়েদের রেগে যাওয়ার পিছনে দায়ী এই আরামের শীত। ব্যাপারটা একটু হালকা করি বরং, শীতের সময় দিন হয় ছোট, আর এই ছোট হওয়া দিনই মেয়েদের হরমোনে শুরু করে গোলযোগ, আনে অদ্ভুত পরিবর্তন।

মেলাটোনিন নামক হরমোন মেয়েদের মধ্যে একটা 'মৌসুমি আগ্রাসন' জাগিয়ে তোলে। এই হরমোন সরাসরি প্রভাব ফেলে অ্যাড্রেনালিন গ্ল্যান্ড থেকে নিঃসৃত ডিএইচইএ হরমোনের ওপর। এই হরমোনের কারণে আপনার গৃহিণীর মেজাজ গরম, গলা স্বর উচ্চ হয়!

ফলাফলে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শরীরে মেলাটোনিন হরমোনের পরিমাণ অন্ধকারে বাড়ে আর দিনের আলোয় টুক করে কমেও যায়। তাই শীতের সময় দিন ছোট হওয়ায় শরীরে মেলাটোনিন হরমোনের হার থাকে বেশি।

অন্যদিকে, অ্যাড্রেনালিন গ্ল্যান্ড থেকে নিঃসৃত হয় ডিএইচইএ হরমোন। যেটা এক ধরনের সেক্স স্টেরয়েডও বটে।

পিটুইটারী গ্ল্যান্ডের কোনও রকম মধ্যস্থতা ছাড়াই মেলাটোনিন হরমোন, ডিএইচইএ হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। এই ডিএইচইএ হরমোন এন্ড্রোজেন অথবা ইস্ট্রোজেনে পরিণত হতে পারে। এই দুই হরমোন-এন্ড্রোজেন এবং ইস্ট্রোজেন নারী ও পুরুষের উষ্মা নিয়ন্ত্রণ করে।

সাইবেরিয়ান হ্যামস্টারস পাখীদের অ্যাড্রিনাল সিস্টেম আমাদের মতো। মেয়ে সাইবেরিয়ান হ্যামস্টারস পাখীদের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, কম সময় দিনের আলোয় থাকা পাখীগুলির শরীরে মেলাটোনিন এবং ডিএইচইএ হরমোনের হার বেশি এবং ওরা বাকিদের থেকে বেশি আগ্রাসী এবং হিংসাত্মক।
 কিন্ত একই অবস্থায় থাকা ছেলে সাইবেরিয়ান হ্যামস্টারস পাখীদের মধ্যে এরকম কোনও পরিবর্তন দেখা যায়নি।

এই শীতে কালপ্রিট ওই হরমোন। প্রেমিকা বা গৃহিনীর সাথে এই মিঠে-কড়া শীতে কমলালেবু খেতে খেতে রোম্যান্টিক ট্রিপ উপভোগের মাঝে হঠাৎ করেই নেমে আসতে পারে হরমোনের খাঁড়া। দোষ কিন্তু সঙ্গিনীকে দিতে পারবেন না।

অন্যদিকে, প্রমীলা বাহিনীর অ্যাডভান্টেজ, মনের সুখে গায়ের ঝাল ঝাড়ুন আর সব দায় চাপিয়ে দিন হরমোনের ঘাড়ে। এত কিছু পড়ার পরে প্রতিবাদের টুঁ-শব্দও বেরবে না।সূত্র: নিউজ১৮.কম

Understanding Sleep Talking
ঘুমের মধ্যে অনেকেই কথা বলেন। কেউ চিৎকার করে, কেউ খুব ধীরে। কারও কথা আবার এতই জড়িয়ে যায়, যে তা পাশে শোয়া ব্যক্তিও উদ্ধার করতে পারে না।

 এরকমও হতে পারে, ঘুমের মধ্যে এমন কিছু বলে ফেললেন, যা খুব গোপনীয়। বা এমন কিছু বলে ফেললেন, যাতে আপনি অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গেলেন।


সম্প্রতি ফ্রান্সের একটি গবেষণা থেকে উঠে এসেছে, ঘুমের মধ্যে সাধারণত মানুষ অপমানজনক ও নেতিবাচক কথাই বলেন। জেগে থাকা অবস্থায় একজন যত বার ‘না’ বলেন, ঘুমের মধ্যে তার থেকে চার গুণ বেশি নেতিবাচক উক্তি করেন।

গবেষকরা এই গবেষণার মাধ্যমে দেখতে পান, যারা ঘুমের মধ্যে কথা বলেন, তাদের বেশির ভাগেরই রয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্লিপ ডিসঅর্ডার বা প্যারাসমনিয়া।

ঘুমের মধ্যে মানুষ কী কী বলেন, তা জানার জন্য কয়েকজনের ঘুমন্ত অবস্থার কথা রেকর্ড করা হয়। দেখা যায় কেউ কেউ গালিগালাজও করেন। যত জনকে পরীক্ষা করে দেখা যায়, তার মধ্যে ৫৯ শতাংশ বিড়বিড় আর ফিসফিস করেন।

কারোর কথা জড়িয়ে যায়। কেউ আবার চিৎকার করে হাসেন।

তবে যাদের কথা বোঝা যায়, তারা সাধারণত খারাপ কথাই বলেন। এই গবেষণায় ২৪ শতাংশকে নেতিবাচক কথা বলতে শোনা গিয়েছে। ২২ শতাংশ অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলেন। বাকি ১০ শতাংশের বাক্যে বেশিটাই ‘না’।

আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ স্লিপ মেডিসিন-এর মতে যারা অবসাদে ভোগেন, বা জ্বরবিকারগ্রস্ত বা কোনও কিছু থেকে নিজেকে বঞ্চিত মনে করেন, তাঁদেরই ঘুমের মধ্যে কথা বলার প্রবণতা থাকে।

আবার জিনগত ভাবেও অনেকে ঘুমিয়ে কথা বলেন। পুরুষ এবং শিশুদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

ঘুমের মধ্যে কথা বলা এড়াতে করণীয়-

প্রথমত, নিজেকে স্ট্রেসমুক্ত রাখুন। অবসাদে ভুগলে, অবশ্যই মনোবিদের পরামর্শ নিন।

দ্বিতীয়ত, ঘুম কম হলেও এই সমস্যা হয়। তাই দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমোন।

তৃতীয়ত, ঘুমনোর আগে মদ্যপান বন্ধ করুন। অনেকেই ঘুমনোর আগে মিষ্টি বা অন্যান্য স্ন্যাক্স খান। এই অভ্যাস বন্ধ করুন।

Home Remedies For Chest Congesti
ঋতু পরিবর্তনের ফলে বিশেষ করে শীতকালে আমাদের দেহে নানা প্রকার সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে সর্দি-কাশির প্রকপ থাকে সবচেয়ে বেশি।

এটি আরও মারাত্মক হয় যখন বুকে বসে যায়। খুব বেশী কফ জমে থাকার কারণে শ্বাসকষ্টও দেখা দেয়। তবে শুধু বড় মানুষরা না, বাচ্চারাও এই সমস্যার ভুগে থাকেন।

বুকে জমে থাকা এই কফ দূর করার জন্য রয়েছে কিছু অসাধারণ ঘরোয়া উপায়।

চলুন, দেখে নেওয়া যাক-


লেবু ও মধুর সিরাপ : এক চামচ মধুর সাথে লেবুর রস ও দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে একটি সিরাপ তৈরি করুন। যখনই গলা খুসখুস করবে বা কফের কারণে শ্বাস নিতে কষ্ট হবে তখনই এই সিরাপটি খেয়ে নিন।

তাছাড়া কুসুম গরম পানিতে লেবু ও এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে গলা পরিষ্কার থাকে।

আদা : বুকে জমে থাকা কফ দূর করতে আদা খুব ভালো কাজে দেয়। আদা চা কিংবা আদা পানি খেলে এই সমস্যার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

আদা পানির জন্য এক গ্লাস গরম পানিতে আদা কুচি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। পানি ভালোভাবে ফুটে উঠলে আদা ছেঁকে নিন এবং কুসুম গরম থাকা অবস্থায় খেয়ে ফেলুন।এছাড়া শুষ্ক কাশি এবং গলা খুসখুস ভাব কমানোর জন্য একটুকরো আদা মুখে নিয়ে রেখে দিতে পারেন।

হলুদ : শুধু অ্যান্টিসেপ্টিক নয়, হলুদে আছে কারকিউমিন নামক উপাদান যা জমে থাকা কফ দ্রুত বের করতে সাহায্য করে।

এতে থাকা অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন কুলকুচি করার জন্য এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। অথবা এক গ্লাস দুধে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে এর সাথে মধু  মিশিয়ে খেয়ে নিন।

তরল খাবার : বুকে কফ জমে থাকার কারণে খাবারে কষ্ট হয়। তাই এই সময় বেশি করে তরল এবং গরম খাবার খেলে আরাম পাওয়া যায়। সারাদিন প্রচুর পানি, জুস, মুরগী ও সবজির স্যুপ বা তুলসী পাতার চা পান করুন।

গরম পানির ভাপ : ফুটন্ত গরম পানিতে মেন্থল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। চুলা থেকে পানি নামিয়ে একটি বড় তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে নিন এবং ঘন ঘন শ্বাস নিন।

এভাবে অন্তত ১০ মিনিট করে দিনে ২ বার ভাপ নিন। এতে বন্ধ থাকা নাক খুলে যাবে এবং বুকে জমে থাকা কফ বের হয়ে আসবে।

গড়গড়া করা : গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করলে গলা ব্যথা কমে যায়। এজন্য এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে গড়গড়া করুন। এভাবে দিনে অন্তত তিনবার গড়গড়া করার চেষ্টা করুন। এটি কাশি কমাতে বেশ কার্যকর একটি ঘরোয়া উপায়।

Are you and your mattress compatible? If not, then you should get rid of it due to the side effects it can have on your health. Find out more in our guide
ঘুমাতে যাওয়ার আগে আমাদের অনেকের অনেক অভ্যাস আছে। তবে তা সব ভালো বা খারাপ নয়। আমাদের জেনে নেওয়া উচিত কখন কোন কাজটি করা দরকার।

 ঘুমানোর আগের কিছু কাজ আছে যা কখনোই করা উচিত নয়।


যেমন, মোবাইলের ব্যবহার করা।

চা-কফির অতিরিক্ত ব্যবহার।

মানসিক চাপ নেওয়া।

শরীর চর্চা করা।

তর্ক জড়িয়ে পড়া।

ভৌতিক সিনেমা দেখা।

Women are eating McDonald's chips immediately after sex
একটি স্বাস্থ্যবান বাচ্চা জন্ম দেওয়া একটি সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান মায়ের উপর নির্ভর করে।এজন্য প্রি কন্সেপসন,প্রি প্রেগনেন্সি চেক আপ বা গর্ভধারণ করার আগের চেকআপটা করে নেওয়া উচিত্‍।

কেননা কিছু মেডিকেল কন্ডিশন ও জীবনযাত্রার মান গর্ভধারণকে প্রভাবিত করে, এমনকি গর্ভধারণ করার ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করে।

তবে ব্রিটেনের নারীরা অদ্ভুত ও বিস্ময়কর এক পদ্ধতিতে বিশ্বাস এনেছেন। গর্ভবতী হতে তারা ভরসা করছেন ম্যাকডোনাল্ডসের ভাজা খাবারের ওপর! 


ব্রিটেনের চ্যানেল মাম ডট কম তাদের এক গবেষণায় বলে, নারীরা যৌনতার পর ম্যাকডোনাল্ডের ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা এমনই ভাজা খাবার খাচ্ছেন যেন গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। 


মেট্রো তাদের এই অদ্ভুত আচরণের কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছে। এক প্রতিবেদনে তারা জানায়, নারীদের বিশ্বাস ভাজা খাবারের লবণ তাদের গর্ভধারণের সম্ভাবনা অনেকটা বাড়িয়ে দেবে।

 তবে প্রতিবেদনা আরো বলা হয়, এটা একনও জনপ্রিয় ট্রেন্ডে রূপ নেয়নি। তাই বলে একে এড়িয়েও যাওয়া যাচ্ছে না। প্রায় ৩ শতাংশ নারী ম্যাকডোনাল্ডে ছুটছেন গর্ভধারণ করতে। এতে আদৌ কোনো কাজ হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে অবশ্য মতামত মেলেনি।

গর্ভবতী হতে ব্রিটিশ নারীরা এমনই আরো অদ্ভুত কিছু পদ্ধতিতে বিশ্বাস আনছেন।  যেমন- নারীদের ৫৮ শতাংশ গর্ভধারণের জন্যে যৌনতার পর কয়েক মিনিট বাইসাইকেল চালান।  আবার প্রতিদিন ডার্ক চকোলেট খাচ্ছেন ৩৭ শতাংশ নারী। 

আর ১০ শতাংশ নারী দু'পায়ে মোজা পরে ঘুমাতে যান। কারণ, দেহ উষ্ণ থাকলে গর্ভাধারণের সম্ভাবনা বেশি থাকে বলে আরেক গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে। 

Grandma's SECRET Recipe for Hair growth in 30 days Garlic & Coconut hair oil treatment
চুল পড়া রোধে রসুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চুল পড়া প্রতিরোধে রসুন অনেকটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এটি শুধু চুল পড়া ঠেকায় না সেইসঙ্গে মাথার ত্বকের ইনফেকশন ও খুশকি দূর করতে সহায়ক।
 শুধু তাই নয়, রসুন নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।

বিশেষজ্ঞদের মত, তেলের মতো করে চুলে ও মাথার ত্বকে রসুনের রস লাগালে অনেক দ্রুত নতুন চুল গজায়।

রসুনের রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ এলিসিন যা রক্তে হিমোগ্লোবিন সঞ্চালন বাড়িয়ে দিয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

এ ছাড়া রসুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কপার যা চুলকে ঘন ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে।


রসুনের রস ব্যবহার পদ্ধতি


প্রথম ধাপ: প্রথমে রসুন পেস্ট করে এর রস বের করে নিতে হবে। এরপর একটি এয়ার টাইট বোতলে তা সংরক্ষণ করতে হবে। যাতে যখন প্রয়োজন তখন তেলের মতো করে এই রস চুলে ব্যবহার করা যায়।

দ্বিতীয় ধাপ: চুল শুষ্ক হলে গোলাপজলের পানিতে তা আধাঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। গোলাপজল চুলের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে। এই আধাঘণ্টা পর ভালো করে চুলে ও মাথার তালুতে রসুনের রস লাগাতে হবে।

তৃতীয় ধাপ: চুলে রসুনের রস লাগিয়ে আধাঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে। এরপর চিরুনি দিয়ে তা আঁচড়াতে হবে। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।

এবার চুলে ভালো করে মাইল্ড শ্যাম্পু লাগিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এর ১৫ মিনিট পর কন্ডিশনার লাগিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।

Diabetes And Blood Sugar May Be Ruining Your Sex Life
খাদ্যাভ্যাস ও দৈহিক শক্তির মাঝে একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কখনো এটি শরীরকে চাঙ্গা করে তোলে। আবার এমন কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে হিতে বিপরীত হয়।

সম্প্রতি দেখা গেছে, অধিকাংশ পুরুষই যৌন মিলনের আকাঙ্ক্ষা কম হওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন। খাদ্যাভাসের মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাবের কারণেই পুরুষরা এ ধরনের সমস্যায় ভুগেন বলে দাবি করছে সাম্প্রতিক গবেষণা।

গবেষণায় দেখা যায়, খাদ্যাভাস লিবিডোতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যখন বয়স বাড়তে থাকে তখন এই ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

তাই যেসব খাবার দৈহিক শক্তি কমিয়ে দেয় বা এই ক্ষমতা নষ্ট করে সেগুলো খাবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই ভালো। জেনে নিন এমন পাঁচটি খাবারের নাম-

১.অ্যালকোহল :


অ্যালকোহল স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। শরীর দুর্বল করে, চেহারা-সুরতেও ফেলে বাজে ছাপ। এছাড়া দৈহিক শক্তিতেও মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। আর তাছাড়া অ্যালকোহল আর রিচ ফুড সবসময় আপনাকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করে রাখে, ফলে আপনি মিলনের ব্যাপারে আর উৎসাহ বোধ করেন না।

২.সয়া:


সয়াবিন থেকে তৈরি বেশিরভাগ পণ্যই সাইটোয়েস্ট্রোজেন নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এটি পুরুষ ও নারীর দেহে হরমোনের ভারসাম্যে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী যারা সয়া পণ্য ভোগ করে তাদের মধ্যে মিলনের আগ্রহ কম। তাই যেসব পুরুষ সন্তান গ্রহণের কথা ভাবছেন তারা খাদ্য তালিকা থেকে সয়া একদম বাদ দিয়ে দিন। কারণ সয়া শুক্রাণুর পরিমাণও কমিয়ে দেয়।

৩.পুদিনা পাতা:


সুগন্ধির জন্য পুদিনা পাতা অনেক বেশি জনপ্রিয়। কিন্তু এটি মোটেও ভালো নয়। এটি শরীরিক উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী হরমোন টেসটোসটের মাত্রা কমিয়ে দেয় যা শরীরকে ঠাণ্ডা করে দেয় এবং আগ্রহ কমিয়ে দেয়।

তাই সুগন্ধির জন্য পুদিনা বাদ দিয়ে আদা খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। আদা অনেক ভালো।

৪.কফি :

কফি আপনার শরীরিক সম্পর্কের ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মুড কার্যকর রাখে। তবে অতিমাত্রায় কফি খেলে হতে পারে বিপত্তি! এটি মূত্রথলির ক্ষতি করে এবং যৌন ও থাইরয়েড হরমোন ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে।

৫.পনির :

গরুর দুধ থেকে তৈরি পনির এখন সুপার মার্কেটে খুবই সহজলভ্য। পনির ছাড়া অনেকের নাশতাই যেন জমে না। পনিরকে হরমোন ও অ্যান্টিবডি তৈরির কৃত্রিম উৎসও মনে করা হয়।
তবে বেশি মাত্রায় পনির খেলে শরীরে এস্ট্রোজেন-জাতীয় পদার্থের নিঃসরণ হয়, যা মানুষের যৌন আকর্ষণ কমিয়ে দেয়। এমনকি এর প্রভাবে দৈহিক শক্তি লোপ পেতেও পারে।

What are the benefits riks of bathing with warm water, hot water, cold water, and water at room temperature
শীতকাল আসলেই অনেকের কাছে গোসল করাটাই যেন একটা বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। পানি দেখলেই কেমন যেন বুক ধুকধুক করতে থাকে।

আর যদি সকালে গোসল করতে হয় তাহলে তো কোনও কথাই নেই। ঘুম থেকে উঠেই যেন কান্না পায়। এই কষ্টের হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই গরম পানিতে গোসল করেন। যতই আরাম হোক না কেন, এই গরম পানির গোসল হতে পারে নানা ক্ষতির কারণ।

১। গরম পানি ত্বকের জন্য একেবারেই ভালো না। শীতকালে এমনিতেই ত্বক ও চুল রুক্ষ হয়ে যায়। আর ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই গরম পানিতে গোসল করেন।

 কিন্তু, গরম পানি ত্বক ও চুলকে আরও রুক্ষ করে তোলে। তাই নিজের চুল ও ত্বকের কথা চিন্তা করে ঠান্ডা পানিকে হোসল করাই উত্তম।

২। ঠান্ডা পানি রক্তে শ্বেত কণিকা বাড়াতে সাহায্য করে। ঠান্ডা পানিতে গোসল করার ফলে ত্বকও ঠান্ডা হয়ে পড়ে। ফলে তা গরম করার জন্য ত্বক নিজেই তাপ উৎপাদন করতে শুরু করে। এই তাপ উৎপাদনের সময় শ্বেত রক্ত কণিকা জন্মাতে থাকে। যা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

এই সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা না বাড়লে সর্দি, কাশির মতো সমস্যা দেখা যায়।

৩। ঠান্ডায় ব্যথা যেন একটু বেড়ে যায়। ঠুক করে কোথাও লাগলেই ব্যথা করে। এছাড়া মাসেল পেন তো খুব স্বাভাবিক বিষয়। আর এই সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে অবশ্যই ঠান্ডা পানিতে গোসল করুন। মাসেলের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে ঠান্ডা পানি।

৪। ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে ঠান্ডা পানি। সারাদিন কাজ করার পর হয়তো গরম পানিতে গোসল করে অনেকেই আরাম পান। কিন্তু, ক্লান্তি দূর করে শরীরকে চনমনে করে তুলতে অনেক বেশি সাহায্য করে ঠান্ডা পানি। করে দেখুন তাহলেই বুঝতে পারবেন।

৫। সকালে ঘুম থেকে উঠে কাজে যেতেই হবে কিছু করার নেই। ঠান্ডা বলে যে কাজে যাবেন না সেটা হবে না। সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব থাকলেও কেমন যেন লাগে। গোটা দিনটাই বৃথা বলে মনে হয়। তাই ঘুমভাব কাটাতে শরীরকে সতর্ক করে তোলার জন্য ঠান্ডা পানিতে গোসল করুন। দেখবেন এক নিমেষে কেটে গেছে ঘুম। ঠান্ডা পানি শরীরকে অনেক বেশি সজাগ করে তোলে।

৬। এছাড়া ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে পুরনো কিছু ব্যাথা কমে আসতে পারে। পাশাপাশি চুলকানি দূর হয়, চুলের স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পায়, দেহের অস্বস্তিকর উত্তেজনা প্রশমিত হয় এবং কিছু স্নায়বিক দুর্বলতা দূর হয়।

Honey is one of the best natural foods that we can have because of the endless list of nutrients present in it. here are a few benefits listed
আমরা জানি, মধু এমন একটি উপকারী জিনিস যার গুনাগুন বর্ননা করে শেষ করে যাবে না। বিশেষ করে শীতের দিনে মধু আরো বেশি উপকারী। সাধারণত শীতকালে সর্দি-কাশি বেশি হয়। এ সময় গলা খুসখুস, ব্যথাসহ আরও অনেক রকম অসুখ-বিসুখে মধু খেলে উপকার পাওয়া যায়।

শত শত বছর আগে থেকেই এই প্রাকৃতিক ওষুধের গুণ মানুষ জানে। প্রাচীন গ্রিক ও মিসরীয়রা ওষুধ হিসেবে মধু খেত। ভারতের আয়ুর্বেদ ও চীনের প্রাচীন চিকিত্সাশাস্ত্রে মধুর ব্যবহার দেখা যায়। মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি, অ্যামিনো অ্যাসিড ও খনিজ পদার্থ।

এটা ঘন বলে গলা ফোলা ও ব্যথায় আরামদায়ক একটি প্রলেপের মতো কাজ করে। মধু ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে, পেটের আলসার ভালো করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। জেনে নিন মধুর কিছু ব্যবহার:

১. সামান্য সর্দি-কাশিতে আমরা সাধারণত তুলসীপাতার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাই। এতে উপকার পাওয়া যায়। কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে কাশির প্রকোপ কমে। তবে এক বছরের কম বয়সী ছোট বাচ্চাদের মধু খাওয়াবেন না। কারণ, মধুতে ক্লস্ট্রিডিয়াম বটুলিনাম নামের রেণু থাকে। বয়স্কদের অন্ত্রে এগুলো বংশবিস্তার করতে পারে না, কিন্তু খুব ছোট বাচ্চাদের পেটে বেড়ে উঠে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

২. শরীরের কোথাও সামান্য কাটাছেঁড়া থাকলে মধুর প্রলেপ দেওয়া যায়। মধুতে উঁচু মাত্রার জীবাণুনাশক উপাদান থাকায় সহজে সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব হয়। মৌমাছি ফুল থেকে যে মধু সংগ্রহ করে তাতে ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ পানি থাকে। ওরা নিজেরা কিছু রস খেয়ে বাকিটা মৌচাকে জমা করে। সূর্যতাপে পরিশোধিত হয়ে মধু বিভিন্ন গুণ অর্জন করে। এর জলীয় অংশও অনেক কমে যায়। ফলে কাটাছেঁড়া স্থানে মধুর প্রলেপ দিলে প্রথমে সেখান থেকে জলীয় অংশ শুষে নেয় ও বাইরের জলীয় পদার্থ ঢুকতে দেয় না। জলীয় অংশ না থাকলে ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণু বাঁচতে পারে না। এভাবে মধু ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।



৩. রাতে শোয়ার ঘণ্টা দুয়েক আগে কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে ভালো ঘুম হয়।

৪. তবে একটানা বেশি দিন মধু খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। মাঝে বিরতি দিয়ে বছরের বিভিন্ন সময় মধু খাওয়া যেতে পারে।

৫. গ্যাস্ট্রিক-আলসারে মধু উপকারে আসে। ১০০ গ্রাম কুসুম গরম পানিতে এক টেবিল-চামচ মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৬. মধু ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক ও কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটকে নরম ও গোলাপি করে তুলতে সহায়তা করে। রাতে ঘুমের পূর্বে নিয়মিত ঠোঁটে মধু লাগান। ঠোঁট হয়ে উঠবে নজর কাড়া সুন্দর।

এছাড়া মধু একটি সুন্নতি খাবার। রাসূল (সাঃ) এর কাছে মধু খুব পছন্দের জিনিস ছিল।

Eat these 5 foods so that you can keep constipation away from your lives. Know how these foods can solve your constipation problems
কখনও কাজের ব্যস্ততা, কখনও আবার রাস্তায় পরিষ্কার শৌচালয়ের অভাব। নানা কারণে আপনিও হয়তো অনেক সময় প্রস্রাব চেপে রাখেন।

কিন্তু জানেন কি, প্রস্রাব চেপে রাখার ফল হতে পারে মারাত্মক। বেশ কয়েকটি ভয়ঙ্কর রোগে আক্রান্ত হতে পারেন আপনি।

প্রস্রাব চেপে রাখার ফলে অন্তত পাঁচটি রোগ মানুষের শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে এক নজরে দেখে নিন,  প্রস্রাব চেপে রাখার ফলে কোন কোন সমস্যার বিষয়ে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা—

১। প্রস্রাবে ইউরিয়া এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো টক্সিক পদার্থ থাকে। বেশিক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে এই বিষাক্ত পদার্থগুলি কিডনিতে পৌঁছে কিডনি স্টোনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২। বেশিক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে ব্লাডারে জীবাণু জন্মাতে থাকে। যা থেকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন-এর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৩। প্রস্রাব চেপে রাখার কারণে ব্লাডার ফুলে যেতে পারে। ফলে, প্রস্রাব করার সময়ে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করতে পারেন।

৪। বেশিক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে কিডনির উপরে চাপ পড়ে। এর ফলে কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৫। দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব না করার ফলে ব্লাডারের মাংসপেশিগুলি প্রসারিত হতে থাকে। যা থেকে ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

A little bit of belly fat is said to be good for you, as it protects the stomach, intestines, and other delicate organs in there. But too much fat is anything but healthy
‘ওবেসিটি’ এমন একটি সমস্যা, বর্তমানে যার দাপট বেড়ে চলেছে। ওবেসিটির জন্যই দেখা দিচ্ছে একাধিক শারীরিক সমস্যা। ডায়াবিটিস হোক কিংবা হাইপারটেনশন কিংবা হরমোনাল ডিসঅর্ডার, সবকিছুর জন্যই  দায়ী ওবেসিটি।

কিন্তু, জানেন কি প্রতিদিন যদি বেশ কিছু ভাল অভ্যাস রপ্ত করতে পারেন এবং তার মধ্যে দিয়েই চলেন, তাহলে ওবেসিটির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।


১। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়ম করে যোগ ব্যায়াম, ধূমপান বর্জন, সঠিক খাবারদাবার, সময়মত ঘুমাতে পারেন, তাহলে ওবেসিটির হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন।
যেমন প্রতিদিন আপনাকে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। ফল, সবজি, কম ফ্যাটযুক্ত দুধ জাতীয় খাবার, বাদাম এগুলিকে রাখতে হবে আপনার ডায়েটে।

২। ঘুম থেকে ওঠার পর কখনও সকালের খাবার খেতে ভুলবেন না। রাতের খাবারের পর প্রায় ১০ ঘণ্টা যদি খালি পেটে থাকেন, তাহলে ওবেসিটি হানা দিতে পারে।
তাই, সকালের ব্রেকফার্স্ট করতে ভুলবেন না কখনও। পাশাপাশি সকালের খাবারে রাখুন দুধ, মধু, বাদাম এবং দানাশস্য জাতীয় খাবার।

৩। দুপুরের খাবারের প্লেটে যেন এক টুকরো ফল থাকে। সেই সঙ্গে সয়া কিংবা ওটমিল জাতীয় খাবার খেতে পারেন।

৪। শরীর সুস্থ রাখতে কসরত করেন? তাহলে ওয়ার্কআউটের আগে বাদাম, ডিম এবং ফল খেতে পারেন।

৫। ওয়ার্ক আউটের আধ ঘণ্টা পর ফল কিংবা প্রোটিন শেক কিন্তু আপনাকে খেতে হবে।

৬।  কাজের চাপের জন্য অনেকেই দুপুরের খাবার খেতে ভুলে যান। বা সময়মত খান না। ফলে রাতের খাবারে থাকে এলাহি আয়োজন। আর এতেই আপনার শরীরের ক্ষতি হচ্ছে। রাতে সব সময় সুপ, স্যালাড, লিন মিট এবং দই-এর মত খাবার খাওয়া উচিত বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

৭। পার্টিতে গেলে যে কোনও ধরনের ভাজাভুজি এবং ক্রিমি খাবারের চেয়ে গ্রিল্ড, স্মোকড খাবার খেতে পারেন। এতে শরীরের কম ক্ষতি হয়।

৮। বেশি করে পানি খান। পানি খাওয়া কম হলে, তা কিন্তু শরীরের ক্ষতি করে। তাই শীতের সময়ও বেশি করে পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিত্সকরা।

৯। বর্তমানে ‘স্ট্রেস’ একটি বড় শব্দ। কিন্তু, স্ট্রেস-এর ফলে আপনার শরীরের কতটা ক্ষতি হচ্ছে জানেন? তাই স্ট্রেসমুক্ত থাকুন সব সময়।

১০। শরীর সুস্থ রাখতে ঘুম কিন্তু অত্যন্ত জরুরি। প্রতিদিন যদি প্রয়োজনীয় ঘুম না হয় তাহলে ওবেসিটির মত সমস্যা ক্রমশ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

১১। ধূমপান থেকে দূরে থাকুন। অ্যালকোহলের হাতছানিতেও সাড়া দেবেন না। এগুলি কিন্তু ওবেসিটির সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget