Articles by "জাতীয়"

Kalaroa in Satkhira,metronews24,metronews,metronews24 bangla,Latest Online Breaking Bangla News,Breaking Bangla News,prothom alo,bangla news,bangladesh,bangla metronews24,bangladesh newspapers,Bangla News,bd news,banglanews24,all bangla newspaper,bdnews24 bangla,bangla,bdnews24,bd news com,bangladesh daily newspaper,bdnewspaper,banglanewspaper,bangladesh newspaper,bangladesh newspaper online,breaking news bd,bd newspaper,all bd newspaper,bd news 24 bangla online,bdnews24 com bangla,daily newspaper bd,online bangla newspaper,bd news 24,bangla paper,www bd news,all bangladeshi newspaper,bd newspapers,bd news bangla,bangladesh daily newspaper,all bd newspaper,banglanewspaper,bd news 24 bangla,bangla news,bd news,bangla tv news,atn bangla news,bangla news 2018,bangladesh news,bdnews24 bangla,bdnews24,bd news 24,bd news today,bangla news today,bengali news,bd news live,bangla news live,news bangla,bangla top news,bnp news,bnp,bangla,bangladeshi news,latest bangla news,today bangla news,bangla live tv,atn bangla news today,ajker khobor,shahbag,bangladeshi, bengali, culture, portal site, dhaka, textile, garments, micro credit,dhaka news, world news, national news, bangladesh media, betar, current news,sports, bangladesh sports,atn bangla news today

The father-in-law slapped by his son-in-law!

জামাইয়ের হাতে চড় খেয়ে প্রাণ গেল শ্বশুরের!

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় নিজ বাড়িতে জামাইয়ের হাতে খুন হয়েছেন শ্বশুর আবুল কাশেম (৭২)। সোমবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আবুল কাশেম কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের লক্ষীখোলা গ্রামের মৃত করিম গাজীর ছেলে। ঘাতক জামাই আব্দুল জলিল (৪০) হেলাতলা ইউনিয়নের উত্তর দিগং গ্রামের আব্দুল হামিদ বিশ্বাসের ছেলে।

কলারোয়া থানা পুলিশ ও নিহতের স্ত্রী রোজিনা বেগম জানান, দশ বছর পূর্বে দিগং গ্রামের জলিলের সাথে তার কন্যা রেশমা বেগমের বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই সে রেশমাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতে থাকে।

 ইতোমধ্যে তাদের ঘরে দুই সন্তান জন্ম নেয়। রেশমাকে বিবাহের পূর্বে সে আরো একটি বিবাহ করে এবং সে ঘরে তার আরও দুই সন্তান রয়েছে।

পারিবারিক অশান্তির কারণে রেশমা ঈদের কয়েকদিন পূর্বে পিত্রালয়ে চলে আসে। ঈদের দুইদিন পরে সোমবার জামাই জলিল রেশমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য শ্বশুরালয়ে আসলে শ্বশুর আবুল কাশেমের সাথে তার কথা কাটাকাটি হয়।

 এরই এক পর্যায়ে সে শ্বশুরকে সজোরে চড় মারলে বয়োবৃদ্ধ শ্বশুর আবুল কাশেম পাশের দেয়ালে আঁছড়ে পড়ে মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

ঘটনার পর পরই ঘাতক জামাই পালানোর চেষ্টা করলে তার শাশুড়ির ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে আটকে রেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে আটক করে।

ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার কলারোয়া থানায় এসেছেন। রাত সাড়ে ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।  

After the holidays, people from the opposite direction started to return to Dhaka,metronews24,metronews,metronews24 bangla,Latest Online Breaking Bangla News,Breaking Bangla News,prothom alo,bangla news,bangladesh,bangla metronews24,bangladesh newspapers,Bangla News,bd news,banglanews24,all bangla newspaper,bdnews24 bangla,bangla,bdnews24,bd news com,bangladesh daily newspaper,bdnewspaper,banglanewspaper,bangladesh newspaper,bangladesh newspaper online,breaking news bd,bd newspaper,all bd newspaper,bd news 24 bangla online,bdnews24 com bangla,daily newspaper bd,online bangla newspaper,bd news 24,bangla paper,www bd news,all bangladeshi newspaper,bd newspapers,bd news bangla,bangladesh daily newspaper,all bd newspaper,banglanewspaper,bd news 24 bangla,bangla news,bd news,bangla tv news,atn bangla news,bangla news 2018,bangladesh news,bdnews24 bangla,bdnews24,bd news 24,bd news today,bangla news today,bengali news,bd news live,bangla news live,news bangla,bangla top news,bnp news,bnp,bangla,bangladeshi news,latest bangla news,today bangla news,bangla live tv,atn bangla news today,ajker khobor,shahbag,bangladeshi, bengali, culture, portal site, dhaka, textile, garments, micro credit,dhaka news, world news, national news, bangladesh media, betar, current news,sports, bangladesh sports,atn bangla news today

After the holidays, people from the opposite direction started to return to Dhaka

ছুটি শেষে  ঢাকায় ফিরতে শুরু করছে কর্মমুখী মানুষ

ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে আজ ঢাকায় ফিরতে শুরু করছে কর্মমুখী সাধারণ মানুষ। তবে ফেরার চিত্রটা ঘরমুখো হওয়ার চেয়ে আলাদা।

 ঈদে ঘরমুখো মানুষের যে ভিড় থাকে বাস-লঞ্চ-রেলে, আজ সে রকমটা চোখে পড়েনি সড়ক-মহাসড়কে কিংবা রেলস্টেশনে।

ঈদুল ফিতরের সাধারণ ছুটি শেষে আজ সোমবার থেকেই প্রথম অফিস খুলছে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। তাছাড়া জুন মাসে ব্যাংক ক্লোজিং অর্থাৎ হিসাব ক্লোজ করার নিয়ম থাকায় আজ থেকেই সব প্রকার ব্যাংকেও পুরোদমে অফিস শুরু হচ্ছে।

রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে দেশের উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরতি বাসে যাত্রীদের ভিড় আজ দেখা যাচ্ছে।

তবে এখনো পুরোপুরি ফিরতে শুরু না করায় রাস্তায় তেমন ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি যাত্রীদের। এদিকে, যাত্রাপথের ভোগান্তি এড়াতে ঢাকাতেই ঈদ কাটিয়ে এখন কিছু মানুষ দেশের বাড়ি যাচ্ছেন প্রিয়জনদের টানে।

Home Minister Asaduzzaman Khan Kamal,Need more evidence against Bodi,Home Minister Asaduzzaman Khan Kamal said Need more evidence against Bodi,Asaduzzaman Khan Kamal- Home Minister Government,home minister of bangladesh,asaduzzaman khan state minister,all minister name of bangladesh,foreign minister of bangladesh,prothom alo,bangla news,bd news,bangladesh,bangladesh newspaper,bangladesh newspapers,banglanews24,all bangla newspaper,bdnews24 bangla,bd news 24,bd newspaper,bangla,bdnews24,Asia

Home Minister Asaduzzaman Khan Kamal said Need more evidence against Bodi


বদির বিরুদ্ধে তথ্যের আরও প্রমাণ দরকার:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির সংশ্লিষ্টতার তথ্যের আরও প্রমাণ দরকার বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান শুরুর পর গত কয়েকদিন ধরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মাদক বিক্রেতারা নিহত হচ্ছেন।

সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কুমিল্লায় ২, নীলফামারীতে ২, চট্টগ্রামে ১, নেত্রকোনায় ১, দিনাজপুরে ১, নারায়ণগঞ্জে ১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ ও চুয়াডাঙ্গায় ১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই মাদক বিক্রেতা বলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এর আগের দিনও বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৯ জনকেও মাদক বিক্রেতা বলে দাবি করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

মাদক বিক্রির সঙ্গে সব সময়ই কক্সবাজারের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য বদির নাম আসে, তার বিরুদ্ধে আপনারা কি ব্যবস্থা নিচ্ছেন- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যেভাবে বলছেন, আমরা সেভাবে কাজ করছি। আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না।

 আপনারা এটাও দেখেছেন আমাদের একজন সংসদ সদস্য কত বছর ধরে জেলে আছেন, সে জামিনও পাননি সেটাও আপনারা দেখেছেন। আইন সবার জন্য সমান। আমরা আইনের বাইরে কাউকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেই না। আপনারা সেটা নিশ্চিত থাকুন।’

‘আপনারা যার (বদি) নাম বলেছেন তিনি একবার জেলে গেছেন, তার বিষয়ে আমরা জানার চেষ্টা করছি, জানছি। আপনারাও তথ্য আমাদের দিন। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন।’

ইয়াবার রুট হচ্ছে টেকনাফ। ২০১৪-১৫ সালে যতগুলো গোয়েন্দা রিপোর্ট আছে, সেখানে বদির নাম রয়েছে। সবাই মনে করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হলে দৃশ্যমান বড় একটি অগ্রগতি আসবে- এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না প্রথম কথা হলো এটি।

 সে বদি হোক, সংসদ সদস্য হোক, আর যেই হোক। শুধু বললেই তো হবে না, সঠিক প্রমাণটি যার বিরুদ্ধে পাচ্ছি, তাকেই অ্যারেস্ট করছি। তথ্য যেগুলো আসছে এর সঙ্গে প্রমাণাদি না যোগাড় করে আমরা কাউকে নক করছি না।’

বদির বিরুদ্ধে কি কোনো প্রমাণ নেই- একজন সাংবাদিক জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনার কাছে যদি কিছু থাকে পাঠিয়ে দেবেন।

সবার কাছে আহ্বান কারো বিরুদ্ধে যদি কোনো প্রমাণ থাকে আপনারা আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিন। আমাদের কাছে যাদের প্রমাণ আছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

তবে সংসদ সদস্য বদির বিরুদ্ধে কোনো তথ্য আপনাদের কাছে নেই- এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই আছে। আমাদের আরও প্রমাণের দরকার। প্রমাণ না পেলে আমরা কারো কাছে যাচ্ছি না।’

গোয়েন্দা সংস্থার আগের তালিকায় বদির নাম ছিল কিন্তু সম্প্রতি তালিকায় তার নাম নেই- এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আপনারা শুনেছেন, আমরা তো দেখছি। আপনারা তো শুনে শুনে অনুমানভিত্তিক কথা বলছেন। আমরা বলছি তথ্য ভিত্তিক, প্রমাণ ভিত্তিক। এই জায়গাটিতেই কথার পৃষ্ঠে কথা এসে যাচ্ছে।’,

Minister,State Ministers will get mobile phone worth 75 thousand,Ministers, State Ministers, Deputy Ministers, Secretaries and Acting Secretaries will get,Ministers, secretaries to get Tk 75,000 for mobile set,Ministers, state ministers, and secretaries to get Tk75,000 to buy phones,Ministers, secretaries to get cell worth Tk 75,000,75 thousand taka mobile phone sets for ministers, secretaries,Ministers, secretaries to get Tk 75,000 for mobile

Minister-State Ministers will get a mobile phone worth 75 thousand


মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ৭৫ হাজার টাকার মোবাইল ফোন পাবেন!

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সচিব ও ভারপ্রাপ্ত সচিবেরা মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা করে পাবেন। এত দিন এ জন্য তাঁরা ১৫ হাজার টাকা পেতেন।

এ ছাড়া তাঁদের ফোন ব্যবহারের কোনো নির্ধারিত সীমা রাখা হচ্ছে না। যত খরচ হবে, তত টাকা সরকার থেকে দেওয়া হবে। এই সুবিধা রেখে সরকারি টেলিফোন, সেলুলার, ফ্যাক্স ও ইন্টারনেট নীতিমালা-২০১৮-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।


আজ সোমবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই মন্ত্রিসভায় বৈঠক হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ যেসব কর্মকর্তা সার্বক্ষণিকভাবে মোবাইলের সুবিধা পান না, তাঁরা মোবাইল ফোন ব্যবহার ভাতা হিসেবে মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন। এত দিন তাঁরা ৬০০ টাকা করে পেতেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ২০০৪ সাল থেকে এই নীতিমালাটা কার্যকর ছিল। এখন এটাকে যুগোপযোগী করা হলো। তবে মন্ত্রিসভায় কয়েকটি অনুশাসন দিয়েছে।

এর মধ্যে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের বিষয়টিও এখানে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার-প্রধানকে রোমিং সুবিধাসহ এখানে অন্তর্ভুক্ত করার অনুশাসন দিয়েছে।

আজকের সভায় হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট আইনের খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই আইনটি ১৯৭৭ সালে অধ্যাদেশ আকারে করা হয়েছিল। মূলত, সেটাকে রেখে এটাকে আইন আকারে করা হচ্ছে।

Bangabandhu satellite,Bangabandhu-1,How will Bangladesh be benefited by the Bangabandhu satellite,Falcon 9,Bangabandhu-1,Launching of Bangabandhu satellite once again deferred,Bangabandhu Satellite-1 Mission,bangladesh satellite map,bangla news papers,bangladesh newspaper,bangladesh news papers,newspaper bangladesh,newspaper in bangladesh,taylor swift,prothom alo,bangla news,bd news,bangladesh,bangladesh newspaper,bangladesh newspapers,banglanews24,all bangla newspaper,bdnews24 bangla,bd news 24,bd newspaper,bangla,bdnews24,Asia

Bangabandhu satellite


বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সুবিধা পেতে আরও তিন মাস লাগবে !

বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু -১ এর সুবিধা পেতে আরও তিনি মাস লাগবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, আমরা এটিকে তিন মাসের মধ্যে কার্যকর অবস্থায় নিয়ে যেতে পারব। 


এটি ব্যবহারে দেশের প্রতি অগ্রাধিকার দিচ্ছি। বিশেষ করে যারা স্যাটেলাইট চ্যানেল চালান তাদের প্রতি। এরপর আমরা আন্তজার্তিকভাবে এটি ব্যবহার করব।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২৪ তম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা আপনাদের সুসংবাদ দিতে চাই। আপনারা জানেন, বাংলাদেশি সময় ১২ মে বঙ্গবন্দু স্যাটেলাই-১ উৎক্ষেপণ করা হয়। সফলভাবে উৎক্ষেপণের পর আমরা অপেক্ষা করেছিলাম এটি কখন সুনির্দিষ্ট কক্ষপথে দাঁড়াবে।
আপনাদের জন্য সুসংবাদ হচ্ছে গত (সোমবার ) রাত্রে নির্দিষ্ট যে কক্ষপথ ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ, সেই জায়গাতে স্থাপিত হয়েছে। এটিই তার দুনির্দিষ্ট জায়গা। সবচেয়ে বড় সুখবর হলো- এখন পর্যন্ত আমরা এর মধ্যে কোনো ত্রুটি পাইনি।

বৈঠকে সংসদে উত্থাপিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির সদস্য তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, শওকত হাচানুর রহমান (রিমন), কাজী ফিরোজ রশীদ, হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া এবং বিশেষ আমন্ত্রণে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বৈঠকে অংশ নেন।

 এ ছাড়া কমিটির আমন্ত্রণে অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের প্রেসিডেন্ট সালমান এফ রহমান, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোজাম্মেল হক বাবু, বাংলাদেশে ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, মহাসচিব ওমর ফারুক, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি দৈনিক সমকালের সম্পাদক গোলাম সারওয়ার এবং দি ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম বৈঠকে যোগ দেন।

bangabandhu satellite bangladesh,bangabandhu satellite benefits,bangabandhu-1 launch,bangabandhu satellite launch date,bangladesh satellite news,bangabandhu-1 launch date,bangabandhu satellite company,bangabandhu satellite ground control station
Satellite Bangabandhu-1

স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য!


অবশেষে বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে মহাকাশে যাচ্ছে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১(Satellite Bangabandhu-1)।

 বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট নিয়ে সাধারণ মানুষের জানার আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। চলুন জেনে নেয়া যাক এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। খবর-বিবিসি'র।


স্যাটেলাইটের ধরণ : মহাকাশে প্রায় ৫০টির বেশি দেশের দুই হাজারের উপর স্যাটেলাইট বিদ্যমান। এগুলোর মধ্যে রয়েছে-আবহাওয়া স্যাটেলাইট, পর্যবেক্ষক স্যাটেলাইট, ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট ইত্যাদি। তবে বিএস-ওয়ান হল যোগাযোগ ও সম্প্রচার স্যাটেলাইট।

কর্মপরিধি : টিভি চ্যানেলগুলোর স্যাটেলাইট সেবা নিশ্চিত করাই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের প্রধান কাজ। এর সাহায্যে চালু করা যাবে ডিটিএইচ বা ডিরেক্ট টু হোম ডিশ সার্ভিস।

এছাড়া যেসব জায়গায় অপটিক কেবল বা সাবমেরিন কেবল পৌঁছায়নি সেসব জায়গায় এ স্যাটেলাইটের সাহায্যে নিশ্চিত হতে পারে ইন্টারনেট সংযোগ।

স্যাটেলাইটের ফুটপ্রিন্ট : বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের অবস্থান ১১৯.১ ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমার কক্ষপথে। এর ফুটপ্রিন্ট বা কভারেজ হবে ইন্দোনেশিয়া থেকে তাজিকিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত।

শক্তিশালী কেইউ ও সি ব্যান্ডের মাধ্যমে এটি সবচেয়ে ভালো কাভার করবে পুরো বাংলাদেশ, সার্কভুক্ত দেশসমূহ, ফিলিপাইন এবং ইন্দোনেশিয়া।

স্যাটেলাইট অপারেশন : আর্থ স্টেশন থেকে ৩৫ হাজার ৭৮৬ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে স্যাটেলাইটটির কক্ষপথে যেতে সময় লাগবে ৮-১১ দিন। আর পুরোপুরি কাজের জন্য প্রস্তুত হবে ৩ মাসের মধ্যে।

এরপর প্রথম ৩ বছর থ্যালাস অ্যালেনিয়ার সহায়তায় এটির দেখভাল করবে বাংলাদেশ। পরে পুরোপুরি বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের হাতেই গাজীপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়া আর্থ স্টেশন থেকে নিয়ন্ত্রিত হবে এটি।

স্যাটেলাইট নির্মাণ : ৩.৭ টন ওজনের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটির ডিজাইন। এটা তৈরি করেছে ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়া স্পেস। আর যে রকেট এটাকে মহাকাশে নিয়ে যাচ্ছে সেটি বানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেসএক্স।

উৎক্ষেপণ হচ্ছে ফ্লোরিডার লঞ্চপ্যাড থেকে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ৪০টি ট্রান্সপন্ডার রয়েছে। এর মধ্যে ২০ দেশে ব্যবহারের জন্য এবং ২০টি ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয় সম্ভব। এ ছাড়া নিজস্ব স্যাটেলাইট থাকায় বৈশ্বিক টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে পরনির্ভরশীলতার অবসান হবে। টেলিমেডিসিন, ই-লার্নিং, ই-গবেষণা, ভিডিও কনফারেন্স, প্রতিরক্ষা ও দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় জরুরি যোগাযোগের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১।

Chattogram schoolgirl Tasfia murder Amin murder Prime suspect

Tasfia Amin 

"তাসফিয়া"র মৃত্যুতে এখন সন্দেহের তীর আদনানের বন্ধু সোহেলের দিকে!

চট্রগ্রাম নগরীর সানশাইন গ্রামার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়া আমিনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় এখন সন্দেহের তীর আদনানের বন্ধু সোহেলের দিকে।
তাসফিয়া ও আদনান দু’জনের পরিবারই জানিয়েছে, সোহেলকে গ্রেফতার করতে পারলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উম্মোচন হবে। দুই পরিবারই তাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন  বলেন, ‘সোহেল সবসময় আদনানের সঙ্গে থাকতো। ঘটনার দিন তার কাছ থেকেই আমরা জানতে পারি তাসফিয়া আদনানের সঙ্গে রেস্টুরেন্টে গিয়েছে।
সোহেলের কাছ থেকে নম্বর নিয়ে ওইদিন তাসফিয়ার আম্মু আদনানকে ফোন করে তাসফিয়াকে বাসায় পাঠিয়ে দিতে বলেন। সোহেলকে গ্রেফতার করতে পারলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’


তবে আদনানকেই তিনি প্রধান সন্দেহভাজন মনে করছেন। মোহাম্মদ আমিন বলেন, ‘আদনানই তার বন্ধুদের মাধ্যমে আমার মেয়েকে খুন করেছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই।’

তাসফিয়া হত্যার ঘটনায় মোহাম্মদ আমিন পতেঙ্গা থানায় আদনানসহ ছয়জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। ওই মামলায় সোহেলকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে মোহাম্মদ আমিন উল্লেখ করেন, ‘আদনান মির্জার সঙ্গে গত দুই/তিন মাস আগে আমার মেয়ের বন্ধুত্ব হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।

তাই আমার মেয়ের প্রতি আক্রোশের বশবর্তী হয়ে তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে আদনান মির্জা মামলার অপরাপর আসামিদের সহায়তায় তাকে নেভাল বিচ এলাকায় নিয়ে অজ্ঞাত আসামিদের পরস্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।’
 আরও পড়ুণ ঃ


আদনানের বাবা ইস্কান্দার মির্জা বলেন, ‘সোহেলের মাধ্যমে আদনানের সঙ্গে তাসফিয়ার পরিচয় হয়। আদনান গতবছর সানশাইন স্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণি পাস করার পর এবার তাকে বাংলাদেশ এলিমেন্টারি স্কুলে ভর্তি করা হয়।

অন্যদিকে, তাসফিয়ার এই বছর সানশাইন গ্রামার স্কুলে ভর্তি হয়। তাই তাসফিয়ার সঙ্গে আদনানের পরিচয় হওয়ার সুযোগ নেই। সোহেলই তাসফিয়াকে আদনানের সঙ্গে একমাস আগে পরিচয় করিয়ে দেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরাও চাই তাসফিয়ার মৃত্যু রহস্য উন্মোচন হোক। যত তাড়াতাড়ি তার মৃত্যুর রহস্য উম্মোচন হবে, তত তাড়াতাড়ি আমার ছেলে ছাড়া পাবে। কারণ, আমার ছেলে নির্দোষ। ঘটনার দিন বিকাল ৫টায় সে বাসা থেকে বের হয়।

 সন্ধ্যায় তাসফিয়াকে রেস্টুরেন্ট থেকে সিএনজিতে তুলে দিয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার ফুফুর বাসায় যায়।

পরে সেখান থেকে তাসফিয়ার বাবার কল পেয়ে আবার ওই রেস্টুরেন্টে যায়। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তাসফিয়ার বাবার সঙ্গে থাকার পর রাত পৌনে ১২টার দিকে বাসায় আসে। এরপর পরদিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত সে বাসায় ছিল। তাহলে সে কীভাবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আজ  শনিবার (৫ মে) দুপুরে কারাগারে আমার ছেলের সঙ্গে কথা বলেছি। সে জানিয়েছে তাসফিয়ার মৃত্যুর সঙ্গে তার কোনও সম্পৃক্ততা নেই। শুধু রেস্টুরেন্টে খেতে গেছে, এর বাইরে সে কিছু জানতো না।

 রিচ কিডস গ্রুপ নামে কোনও গ্রুপের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই বলে সে আমাদের জানিয়েছে এবং পুলিশও তাকে এ ধরনের কোনও বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সোহেলের মাধ্যমে আসিফ মিজানের সঙ্গে আদনানের পরিচয়। সেই সূত্র ধরে ফিরোজের সঙ্গে (যুবলীগ নামধারী অস্ত্র মামলার আসামি) পরিচয় হয়।’

ইস্কান্দর মির্জা বলেন, ‘ঘটনার দিন রাত থেকে পরদিন বিকাল পর্যন্ত সে আমাদের বাসায় ছিল। আমরা তার মধ্যে কোনও অস্বাভাবিক আচরণ দেখিনি। পরদিন বিকালে আসিফ মিজানই তাকে কল করে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়।’

তিনি বলেন, কারাগারে দেখা করতে গেলে আদনান আমাদের জানিয়েছে বুধবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে আসিফ মিজান মোবাইল ফোনে কল করে তাকে বাসা থেকে বের করে।

বাসার একটু সামনে থেকে প্রাইভেট কারে করে আসিফ মিজান প্রথমে তাকে মুরাদপুর নিয়ে যায়। পরে সেখানে আকরাম নামে একজন আসে। আকরাম আদনানকে জানায় একজন বড় ভাই (পুলিশ) আসবেন, উনি তোকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাবে।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তোকে আবার বাসায় পৌঁছে দেবে। পরে ওই গাড়িতে করে তারা দুজন আদনানকে নাছিরাবাদ এলাকায় নিয়ে যায়।

 সেখানে আসাদ নামে একজনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তারা চলে যায়। আসাদ মির্জাপুল এলাকায় নিয়ে তাকে পুলিশের একটি কালো হাইয়েস গাড়িতে তুলে দেয়।

ওই গাড়িতে তাসফিয়ার চাচা নুরুল আমিনও ছিলেন। যদি আদনান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতো তাহলে সে আসিফ মিজানের কথায় বাসা থেকে বের হতো না।’

ইস্কান্দার মির্জা আরও বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে সোহেলের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, সে বাসায়ও নেই। সে আত্মগোপনে। আমাদের ধারণা এ ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। তাকে গ্রেফতার করতে পারলে ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (কর্ণফুলী জোন) জাহেদুল ইসলাম  বলেন, ‘আমরা সোহেলসহ অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছি। শুক্রবার রাতে সবার বাসায় অভিযান চালানো হয়েছে। কাউকে পাওয়া যায়নি।’

তাসফিয়ার মৃত্যু রহস্য উন্মোচনে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা তাসফিয়ার মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের একটু সময় দিন। খুব শিগগির আমরা প্রকৃত ঘটনা আপনাদের সামনে তুলে ধরতে পারবো।’
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

Police find out answers of several questions over the mysterious death of Tasfia Amin

"তাসফিয়া"কে বহনকারী সেই সিএনজি অটোরিকশাটি সনাক্ত!

নগরের গোলপাহাড় মোড়ের চায়নাগ্রিল রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে স্কুলছাত্রী তাসফিয়া আমিনকে বহনকারী সেই সিএনজি অটোরিকশাটির খোঁজ মিলেছে। একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অটোরিকশাটি সনাক্ত করেছে পুলিশ।

নগর পুলিশের কর্ণফুলী জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘স্কুলছাত্রী তাসফিয়া হত্যাকাণ্ডের ক্লু উদঘাটনে একাধিক ইস্যু নিয়ে সামনের দিকে এগুচ্ছি। 


নগরের গোলপাহাড় মোড়ের চায়নাগ্রিল রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে তাসফিয়া নিজ বাসায় না গিয়ে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের ১৮ নম্বর ব্রিজঘাটে কেন গেলো, কিভাবে গেলো? এবিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি।

ইতিমধ্যে চায়নাগ্রিল রেস্টুরেন্ট, জিইসিসহ পতেঙ্গায় যাওয়ার পথে থাকা একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। তাসফিয়াকে বহনকারী সেই সিএনজি অটোরিকশাটি আমরা সনাক্ত করেছি।

অটোরিকশা ও চালককে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।’পাশাপাশি তাসফিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অন্যকোন কারণ আছে কিনা, সেই বিষয় নিয়েও তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।
Police find out answers of several questions over the mysterious death of Tasfia Amin, a ninth grader of Sunshine Grammar School and College in Chittagong


এর আগে বুধবার (০২ মে) সকালে স্থানীয়দের খবরে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের ১৮ নম্বর ব্রিজঘাটের পাথরের ওপর থেকে সা্নসাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়া আমিনের (১৬) মরদেহ উদ্ধার করে পতেঙ্গা থানা পুলিশ।

পরে একই দিন সন্ধ্যায় নগরের খুলশী থানার জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটি এলাকা থেকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাসফিয়ার বন্ধু আদনান মির্জাকে আটক করে। আটক আদনান মির্জা বাংলাদেশ এলিমেন্টারি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং ব্যবসায়ী ইস্কান্দার মির্জার ছেলে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (০৩ মে) তাসফিয়ার বাবা বাদী হয়ে আটক আদনান মির্জাকে প্রধান আসামি করে পতেঙ্গা থানায় ৬ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে পুলিশের এসি মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘তাসফিয়ার বন্ধু আদনান মির্জা। সেই আদনান মির্জার সাথে চায়নাগ্রিল রেস্টুরেন্টে দেখা করতে আসে স্কুলছাত্রী তাসফিয়া।

আরও পড়ুন ঃ



সেই রেস্টুরেন্টে থাকাবস্থায় তাসফিয়ার মায়ের ফোন পেয়ে দ্রুত বেরিয়ে পড়েন তারা।

আদনান ১০০ টাকা দিয়ে তাসফিয়াকে নগরের ও আর নিজাম রোডের বাসায় দ্রুত যাওয়ার জন্য সিএনজি অটোরিকশায় তুলে দেন।

কিন্তু তাসফিয়া বাসায় ফিরে না গিয়ে পতেঙ্গার ১৮ নম্বর ব্রিজঘাটে চলে যায়। তখন তাসফিয়ার হাতে তেমন কোন টাকা ছিলো না।

তাহলে পতেঙ্গায় পৌঁছে তাসফিয়া সিএনজি অটোরিকশার এতো ভাড়া কিভাবে দিলো। আমাদের ধারণা, তাসফিয়ার হাতে একটি স্বর্ণের আংটি ছিলো।
ভাড়ার বদলে সিএনজি চালককে হয়তো সেই আংটি দিয়েছে তাসফিয়া। নাকি এতে অন্যকোন কারণ জড়িত।

সেই সিএনজি অটোরিকশা চালক ও তাসফিয়ার আংটির সন্ধান পেলে এ আলোচিত হত্যাকাণ্ড তদন্তে অগ্রগতি হবে। ’
‘শিগগিরই ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাবো।  রিপোর্টের প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
সূত্র :বাংলা নিউজ

Friend Who Has Been Sexually Molested

এবার চট্টগ্রামে বাসে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা!

এবার চট্টগ্রামে বাসে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা সেই বাসের চালক ও হেলপারকে গণপিটুনী দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে।

শনিবার দুপুরে নগরীর ওয়াসার মোড় এলাকায় গণপিটুনীর এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল নগরীর ইপিজেড থানায় হওয়ায় তাদের ওই থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তারা হলেন বাস চালক মো রাসেল ও হেলপার মো. হানিফ।

নগরীর চকবাজার থানার ওসি নুরুল হুদা বলেন, ইপিজেড থানার সিমেন্ট ক্রসিং এলাকা থেকে বহদ্দারহাটগামী ১০ নম্বর বাসে ওঠে সেই ছাত্রী।

 তখন সেই বাসে যাত্রী ছিল দুই জন। কিছু যাওয়ার পর ছাত্রীর সন্দেহ হলে গাড়ি থেকে নামার চেষ্টা করে। 

তখন বাসের হেলপার শেই ছাত্রীর হাত ধরে নামতে বাঁধা দেয়। সেখানে যানজট থাকায় গাড়ি থামলে হেলপারের হাতে কলম দিয়ে আঘাত করে বাস থেকে নেমে আসেন।
 সেখান থেকে সিএনজি টেক্সি করে ওয়াসার মোড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে সহপাঠিদের ঘটনা বলে। কিছুক্ষণ পর বাসটি শেই এলাকায় আসলে বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা বাস চালক ও হেলপারকে আটক করে গণপিটুনী দেয়।

পরে চকবাজার থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। কিন্তু ঘটনাস্থল ইপিজেড এলাকায় হওয়ায় তাদের ওই থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

ইপিজেড থানার ওসি আহাসানুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযুক্ত চালক ও হেলপারকে থানায় আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
সুত্র:বাংলাদেশ প্রতিদিন

Tasfia Amin buried in Teknaf of Cox's Bazar

কক্সবাজারের টেকনাফে তাসফিয়ার দাফন সম্পন্ন!

কক্সবাজারের টেকনাফে তাসফিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে টেকনাফ ডিগ্রী কলেজ মাঠে নামাজে জানাযার পর কলেজ সংলগ্ন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

 জানাযায় আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী ছাড়াও শোকাহত শত শত মানুষ অংশ নেন।

এর আগে, বিকালের দিকে চট্রগ্রাম মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে তাসফিয়ার লাশ পৈত্রিক নিবাস টেকনাফ পৌরসভার ডেইল পাড়া এলাকায় পৌঁছলে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এসময় আত্মীয় স্বজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের আহাজারীতে বাতাস ভারী হয়ে উঠে।

এসময় আত্মীয়-স্বজন ছাড়াও শত শত জনতা বাড়িটিতে ভিড় জমান।

নির্মম হত্যার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শান্তির দাবি জানিয়েছেন উপস্থিত সবাই।

উল্লেখ্য, ফেসবুকে বন্ধুত্ব গড়ে তুলে এক মাসের মাথায় স্কুলছাত্রী তাসফিয়াকে শবেবরাতের রাতে (১ মে) ডেকে নিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ফেসবুকের বন্ধুত্বই কাল হল তাসফিয়ার !

ফেসবুকে বন্ধুত্ব গড়ে তুলে এক মাসের মাথায় এক স্কুলছাত্রীকে শবেবরাতের রাতে ডেকে নিয়ে খুন করেছে ফেসবুক বন্ধু ও তার সহযোগীরা।
Facebook friendship Tashfia AdnanMirza


গতকাল বুধবার সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত থেকে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় আদনান মির্জা নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহত স্কুলছাত্রীর নাম তাসফিয়া। সে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার ডেইলপাড়া এলাকার ব্যবসায়ী মো. আমিনের মেয়ে।

তারা নগরীর খুলশী থানাধীন ও আর নিজাম রোড এলাকার বসবাস করেন। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তাসফিয়া সবার বড়। সে নগরীর একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের নবম শ্রেণিতে লেখাপড়া করত।


স্কুলছাত্রীর পরিবার সূত্র জানায়, ফেসবুক বন্ধু আদনান মির্জা বন্ধুত্বের ‘মাসপূর্তি’ উদযাপনের কথা বলে তাসফিয়াকে মঙ্গলবার শবেবরাতের দিন ডেকে নেয়। নিয়ে যায় একটি চায়নিজ রেস্টুরেন্টে।

এরপর সহযোগীদের নিয়ে আদনান তাসফিয়াকে হত্যা করে লাশ ফেলে দেয় পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আদনানকে তাসফিয়ার পরিবারের লোকজন আটকও করেছিল। কিন্তু তাসফিয়াকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে সে (আদনান) কৌশলে সটকে পড়ে।

এদিকে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের পাথরের ওপর থেকে উদ্ধার হওয়া স্কুলছাত্রী তাসফিয়ার চোখেমুখে আঁচড়ের চিহ্ন ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পতেঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল কাশেম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে গতকাল সকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরিবারের বরাত দিয়ে তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকালে কাউকে কিছু না বলেই বাসা থেকে বের হয় তাসফিয়া।

এরপর থেকে সবার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। গতকাল লাশ উদ্ধার করার পর পরিবার তার লাশ শনাক্ত করে।



Boy escaped and killed the old father

বৃদ্ধ বাবাকে আছড়ে হত্যা করে পালিয়েছে ছেলে!

গাজীপুরে ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধ বাবাকে আছড়ে হত্যা করেছে ছেলে। মৃত সেই বৃদ্ধের নাম গিয়াস উদ্দিন। তার বয়স ৭০ বছর। 


বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানার ভাওয়াল এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। ঘাতক সেই ছেলের নাম  ছমির উদ্দিন (২৮)। ঘটনার পর থেকে ছমির উদ্দিন পলাতক রয়েছে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবন নির্মাণ নিয়ে গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে ছেলে ছমির উদ্দিনের ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ ছেলে বৃদ্ধ পিতাকে উচু করে ধরে আছাড় দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই গিয়াস উদ্দিনের মৃত্যু হয়।

জয়দেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বাছেদ মিয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। 

Attack on Zafar Iqbal

অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলার সময় ঘটনাস্থল থেকে আটক মাদ্রাসা ছাত্র ফয়জুল হাসান ওরফে শফিকুরসহ কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।




সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন শনিবার রাতে জালালাবাদ থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দায়েরের পর রোববার তা সন্ত্রাস দমন আইনের মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।


বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে শনিবার বিকালে একটি অনুষ্ঠান চলাকালে এক তরুণ ছুরি নিয়ে অধ্যাপক জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালায়।


হামলার পরপরই ওই ফয়জুল নামের ওই মাদ্রাসাছাত্রকে ধরে ফেলেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। পরে তাকে পিটুনি দিয়ে র‌্যাবের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

আহত অধ্যাপক জাফর ইকবালকে প্রথমে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়। তিনি এখন শঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন  বলে, “কাল রাতেই আমরা  জালালাবাদ থানায় অভিযোগ দায়ের করে এসেছি। সেখানে ফয়জুল ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।”
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক জাফর ইকবাল বরাবরই জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ।
বিভিন্ন সময়ে হুমকি পাওয়ায় ২০১৬ সালের অক্টোবরে জনপ্রিয় এই লেখকের জন্য পুলিশি পাহারার ব্যবস্থা করে সরকার। তার মধেই শনিবার প্রকাশ্যে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থল থেকে আটক ২৪ বছর বয়সী ফয়জুল র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে নিজেকে মাদ্রাসা ছাত্র হিসেবে দাবি করে বলেন, জাফর ইকবাল ‘ইসলামের শত্রু’ বলে তাকে হত্যার জন্য সে হামলা চালিয়েছে।

র‌্যাব-৯ এর অধিনায়ক লেফটেনেন্ট কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমদ  বলেন, “জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, ফয়জুল জঙ্গিবাদে বিশ্বাসী। তবে তদন্ত ছাড়া এর বেশি এখনই বলা যাচ্ছে না।”

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আটক ফয়জুলকে শনিবার রাতে সিলেটের রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে র‌্যাব। রাত দেড়টার দিকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় জালালাবাদ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে।

চিকিৎসা শেষে শারিরিক অবস্থার উন্নতি হলে রোববার বিকালে ওই তরুণকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে র‌্যাব কর্মকর্তা আজাদ জানান।

Bangladesh Bank governor Mohammad Farashuddin said

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ঢাকায় প্রবেশ পথে বাইরে থেকে আসা মানুষের কাছ থেকে উচ্চ হারে ফি নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।


শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমি মাঠে তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলার শেষ দিনে ‘বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন দর্শন ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মানুষের ভিড় ঠেকাতে তিনি এ প্রস্তাব দেন। ।

এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর বলেন, "ঢাকা মহানগরীর যে বিশাল সমস্যা এটার সমাধান করা প্রয়োজন। এজন্য আমি চার-পাঁচটি সুপারিশ করব। এগুলো আমি প্রধানন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দৃষ্টিতে আনতে চাই।"

অর্থনীতিবিদ ফরাসউদ্দিন বলেন, "ঢাকা মহানগরীতে প্রবেশ করার জন্য ছয়টি রাস্তা আছে। সব জয়গায় মেশিন-টোল বসান। টোল বসিয়ে বেশ উচ্চ হারে প্রবেশ ফি নেয়া যেতে পারে।

তাহলে অনেক ভিড় কমে যাবে। যারা ভূমি দখল করে যারা কর ফাঁকি দেয় তাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করতে হবে। আইন প্রচুর আছে।"

ভূমিদস্যুদের অত্যাচারে আমরা নির্যাতিত এমন মন্তব্য করে এইচ টি ইমাম বলেন, "দখল হওয়া জলাশয় আমাদের উদ্ধার করতে হবে। শুধু জলাশয় নয় সরকারি ভূমি, সরকারি জায়গাগুলো উদ্ধার করতে হবে।

 বিশেষ করে আইন প্রয়োগ শুরু হতে পারে যারা আমাদের জলাধার দখল করে আছে তাদের বিরুদ্ধে। ঢাকা জেলা প্রশাসনকে আমি দরখাস্ত দিয়ে রাখলাম, তারা যেনো ভূমিকা রাখে।"

ঢাকার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক সামসুজ্জামান খান।

অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন ফরাসউদ্দিন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম।

accused of raping a patient will now face three additional charges of rape



চিকিৎসা দেওয়ার নামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন ও চর্ম বিশেষজ্ঞ ডা. মো. রিয়াদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে জোরপূর্বক যৌন হয়রানি ও একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর নির্যাতিতার বাবা কামাল হোসেন বাদী হয়ে গতকাল সোমবার শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেছেন।

 অনেকের কাছে হয়তো প্রশ্ন আসতে পারে একবার ধর্ষিত হওয়ার পরও কেন ওই ছাত্রী ওই ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিতে গেলেন? আসলে ওই ছাত্রী পরবর্তীতে চিকিৎসা নিতে যায়নি, তাকে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। মামলার এজহার থেকে এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।

এতে বলা হয়, গত বছরের ৬ অক্টোবর দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী মো. রিয়াদ সিদ্দিকীর কাছে চিকিৎসা নিতে গেলে ওই ডাক্তার তাকে বিবস্ত্র করে স্পর্শকাতর জায়গাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মলম লাগায়। এ সময় ছাত্রী বাধা দিলে ডাক্তার তাকে বাধা দেওয়ার জন্য তাকে শাসায় এবং কাউকে না জানানোর কথা।

মেয়েটি লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টা কাউকে জানায়নি। পরবর্তী তারিখে চিকিৎসা নিতে গেলে ওই ডাক্তার প্রথমে তাকে বিবস্ত্র করে মলম লাগায়। এরপর ধর্ষণ করে। সেই দৃশ্য ভিডিও করে রাখা হয়েছে জানিয়ে ওই চিকিৎসক তখন মেয়েটিকে হুমকি দেয়, ঘটনা কাউকে বললে ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে। ফলে ভয়ে মেয়েটি কাউকেই বিষয়টি জানায়নি।

পরবর্তীতে মেয়েটি আর ওই ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিতে যায়নি। তখন ফন্দি করে ডা. রিয়াদ সিদ্দিকী মেয়েটির পরিবারকে জানান, তার (মেয়েটির) শরীরের মরণব্যাধী বাসা বেঁধেছে। এবং তার চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড বসানো হবে।

ডা. রিয়াদ সিদ্দিকীর কথা মতো মেয়েকে নিয়ে গত ৩১ ডিসেম্বর কামাল হোসেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির হন। তখন পরিবারের লোকজনদের অপেক্ষা করতে বলে ওই ডাক্তার মেয়েটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বি-ব্লকের চতুর্থ তলার একটি নির্জন রুমে নিয়ে ধর্ষণ করতে গেলে ওই ছাত্রী কান্নাকাটি ও চিৎকার করে। এ সময় ওই ডাক্তার তাকে ওপর থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং জোরপূর্বক আবারও ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

Mild to moderate cold wave is sweeping over Rangpur, Rajshahi, Dhaka, Mymensingh and Khulna divisions and the region of Srimangal, the Meteorological Department said on Thursday. According to its forecast, the cold wave may continue and spread over adjacent areas. Moderate to thick fog may
তীব্র শীতে কাঁপছে দেশ। ছয় বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢেপে থাকছে পুরো দেশ।

এরই মধ্যে তীব্র ঠাণ্ডায় কুড়িগ্রামে ডায়রিয়ায় এক শিশুর মৃত্যুও হয়েছে।

এ ব্যাপারে আবহাওয়াবিদরা বলছেন, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় বাংলাদেশে শীত বেড়েছে। এই শৈত্য প্রবাহ আরও দুই-এক দিন চলতে পারে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, শ্রীমঙ্গল এলাকাসহ রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে বয়ে চলা শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে এবং আশপাশের এলাকায় বিস্তৃত হতে পারে। শুক্রবার দিন ও রাতের তাপমাত্রায় তেমন কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।


এদিকে শুক্রবারের আবহাওয়ার বুলেটিনে শীত মৌসুমে প্রতিদিন মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা থাকার আভাস দেওয়া হয়েছে। 


পাশাপাশি আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারিতে একটি মাঝারি (৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা তীব্র (৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং ২-৩টি মৃদু (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা মাঝারি  শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

Sheikh Hasina Wazed is the current Prime Minister of Bangladesh
আজকের শিশুদের মধ্যে থেকেই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী হবে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আজ শনিবার গণভবনে ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে বিনামূল্যের বই বিতরণ কার্যক্রমের অানুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশুরা, আমার সোনার ছেলেমেয়েরাই জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। আজকের শিশুদের মধ্যে থেকেই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী হবে।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী গণভবনে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এক বক্তৃতায় বলেন, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে আমাদের শিক্ষিত জনগোষ্ঠী দরকার।

শিক্ষিত জনগোষ্ঠী ছাড়া কোনো দেশ দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারবে না।


তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রযুক্তির যুগে বিশ্ব খুব কাছের হয়ে গেছে। মানুষও বেশ তাড়াতাড়ি তা গ্রহণ করতে পারছে এবং শিখতে পারছে।

 স্ত্রীর উপস্থিতিতেই কলগার্ল নিয়ে ফূর্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনসহ নানা অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী মোছা. জান্নাত আরা ফেরদৌস।

মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি। জান্নাত আরা ফেরদৌস যশোর সরকারি এমএম কলেজের দর্শন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ খুবির গণিত ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামানের সঙ্গে পারিবারিক ও আনুষ্ঠানিকতার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর খুলনা মহানগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার একটি ভাড়া বাসায় তোলা হয়।

সেখানে মাস চারেক ভালোভাবে সংসার চলে। তারপর শুরু হয় অশান্তি। তার রুক্ষ ও কর্কশ ব্যবহার, কৃপণতা এবং সব ব্যাপারে লুকোছাপা ভাব সত্ত্বেও আমি তার সাথে মানিয়ে চলার চেষ্টা করি।

বিয়ের আগে তার শিক্ষক এবং এই বিয়ের প্রস্তাবক ও ঘটক খুবির গণিত বিভাগের অধ্যাপক (বর্তমানে বরখাস্তকৃত) মো. শরীফ উদ্দিনের আশ্বাসে জান্নাতের মা-বাবা রাজি হন। তার আগ্রহের কারণে সব কিছু বিবেচনা করে বিয়ে হয়।

জান্নাত বলেন, এ অবস্থায় দু’মাস পর তার ছোট ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে তার গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুরে আমাকে নিয়ে যায়। শ্বশুরালয়ে গিয়ে আমি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হই। আমার মুদি দোকানি শ্বশুর যৌতুকলোভী।

ছোট ছেলের শ্বশুর বাড়ি থেকে বিয়ের আগেই তার ঘর ফার্নিচার দিয়ে সাজিয়ে দেয়ার প্রতি ইঙ্গিত করে আমার শ্বশুর বলেন, এই বউ কেন খালি হাতে এসেছে? শাশুড়িসহ পরিবারের অন্যরাও নানান কটূকথা বলতে থাকে।

ওয়াহিদুজ্জামানের স্ত্রী বলেন, কোনরকম দেনা-পাওনা ছাড়াই আমার বিয়ের কথা হওয়ায় এবং তার স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশ যাওয়ার কথা থাকায় আমরা সেভাবে চিন্তাও করিনি। অপমানজনক এ পরিস্থিতি থেকে আমার মা-বাবা ও অন্যান্য আত্মীয়স্বজন সেখানকার অনুষ্ঠান শেষ করে চলে আসেন।

তিনি বলেন, এরপর আমার স্বামী আমাকে গাজীপুর থেকে আমার বাবার বাড়ি যশোরে রেখে খুলনায় যায়। অনেক অনুরোধের পর আমাকে খুলনায় নিয়ে আসে। কিন্তু তার সবকিছুতে পরিবর্তন লক্ষ্য করি। আমার সঙ্গে অহেতুক কর্কশ ব্যবহার করতে থাকে।

 সাংসারিক প্রয়োজনে টাকা চাইলে বলে আমাকে তালাক দিয়ে দাও। আমি তোমার সঙ্গে সংসার করতে চাই না। এসব ঘটনা ঘটক অধ্যাপক শরীফ ভাইকে জানালে তিনি আমাকে সহ্য করা এবং চুপ থাকার উপদেশ দেন।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আমি সন্তানসম্ভবা হই। এটা শোনার পর সে (স্বামী) ধীরে ধীরে দূরে চলে যেতে থাকে। এ অবস্থায় সে আমাকে বাবার বাড়ি অথবা শ্বশুর বাড়িতে চলে যেতে বলে।

 দীর্ঘ ভ্রমণে ডাক্তারের নিষেধ সত্ত্বেও শ্বশুর বাড়ির লোকজন গাজীপুর যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। আমি যেতে অস্বীকৃতি জানালে সে আমার উপর শারীরিক-মানষিক নির্যাতন চালায়।

খুবি শিক্ষকের স্ত্রী বলেন, এরপর ঈদ উপলক্ষে আমি বাবার বাড়িতে চলে যাই। ঈদ শেষে ফিরে আসার জন্য যোগাযোগ করা হলে সে এড়িয়ে যেতে থাকে।

 এক পর্যায়ে আমি ফিরে এলে সে সেপারেশনের সুবিধার্থে বাচ্চা নষ্ট করার কথা বলে। কয়েকবার বাচ্চা নষ্ট করার জন্যে আমাকে আঘাতও করে।ওয়াহিদুজ্জামান বাজারের খরচ বন্ধ করে এবং কাজের মহিলাকে বিদায় করে সংসারের সব কাজ করতে বাধ্য করেন।

জান্নাত দাবি করেন, আমি বাসায় থাকা অবস্থায় সে (ওয়াহিদুজ্জামান) এবং অধ্যাপক শরীফ মিলে "কলগার্ল বাসায় এনে ফূর্তি করে"। এ কারণে অধ্যাপক শরীফ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরিচ্যুত হন।

তিনি বলেন, পরিস্থিতির এরকম পর্যায়ে বাবা-মা এসে আমাকে নিয়ে যান। এরপর সে আমার কোনো খোঁজ নিত না। সন্তান প্রসবের জন্য ক্লিনিকে ভর্তি হবার পর সে গেলেও বিল দিতে হয় আমার আত্মীয়দের।

খুবি শিক্ষকের স্ত্রী অভিযোগ করেন, কিছুদিন পর আমাকে সন্তানসহ গাজীপুরে নিয়ে একরকম আটকে রেখে নির্যাতন এবং যৌতুক দাবি করা হয়।

 পরে আমার পরীক্ষার জন্য খুলনা আসি। কিন্তু এসে প্রচণ্ড নির্যাতনের শিকার হতে হয়। অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য সরাসরি ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, অস্বীকৃতি জানালে সন্তানসহ আমাকে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। আমি বাবার বাড়ি যেতে বাধ্য হই। পরে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে তার ডিসিপ্লিন প্রধানের কাছে অভিযোগ করলে সে (স্বামী) একটি ভুয়া ডিভোর্স লেটার দেখায়।

 পরে আমরা আদালতে যাই। কোর্টে তার ডিভোর্স প্রমাণ না করতে পারায় আদালত আমাকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর সুরক্ষা দিয়েছে। সেটা বানচাল করতে সে জজকোর্টে রিভিশন করেছে।

এই অত্যাচার থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সরকার, মানবাধিকার সংস্থা, মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও  বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জান্নাত আরা ফেরদৌসের বড় বোন মাহফুজা খানম, ভাই হোজায়ফা আল মাহমুদ ও শিশুপুত্র জাবির জাওয়াদ।

তবে জান্নাতের স্বামী খুবির গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যৌতুক দাবি করার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি কোনো নির্যাতন করিনি। বরং আমার উপর নির্যাতন হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি গত বছরের ২১ অক্টোবর খুলনা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি। এছাড়া গত ২০ মার্চ তাকে আইনিভাবে তালাক দিয়েছি।

PM: Bangladesh Army is skilled and smarter now

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা মাথা উঁচু করে চলতে চাই। কারো কাছে হাত পেতে নয়।

বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিস্থ বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে ৭৫তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের কমিশনপ্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি প্যারেডে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

নতুন কমিশনপ্রাপ্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ ও সদাপ্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মনে রাখবে অনেক রক্ত আর ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের এই স্বাধীনতা। কাজেই এ দায়িত্ব পালনে তোমাদের সজাগ ও সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। যাতে এই স্বাধীনতা নিয়ে যেন কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আজকের দিনটি তোমাদের জীবনে অত্যন্ত আনন্দের এবং গুরুত্বপূর্ণ। আজ থেকে তোমাদের উপর ন্যাস্ত হচ্ছে দেশমাতৃকার মহান স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব। সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময় হলেও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই হবে তোমাদের জীবনের প্রথম ও প্রধান ব্রত।’

নতুন কমিশনপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের জনগণের পাশে থাকার এবং দেশ সেবার আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা নিঃস্বার্থভাবে জনগণের পাশে থাকবে এবং দেশের সেবা করবে। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি অনুগত এবং অধীনস্তদের প্রতি সহমর্মী হতে হবে তোমাদের। তোমাদের জন্য রইল আমার শুভকামনা।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহম্মদ শফিউল হক এবং বিএমএ কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল সাইফুল আলম এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ,জাতীয় সংসদের সদস্যবৃন্দ, নৌবাহিনী প্রধান, সরকারের পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, কূটনৈতিকবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং কমিশনপ্রাপ্ত ক্যাডেটদের অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমাদের মনে রাখতে হবে, তোমরা এদেশের সন্তান। জনগণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই তোমাদের সকলকেই সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও হাসি-কান্নার সমান অংশীদার হতে হবে। দাঁড়াতে হবে যে কোন দুর্যোগ ও দুঃসময়ে বিপন্ন মানুষের পাশে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন, সুশৃঙ্খলভাবে ত্রাণ বিতরণ এবং তাদের পরিচয়পত্র তৈরিতে সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

এছাড়াও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দুর্গম পার্বত্য এলাকায় সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে মহাসড়ক, সেতু ও ফ্লাইওভার নির্মাণ, ভোটার তালিকা ও মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রেও দক্ষতা দেখিয়েছে।

সরকার প্রধান বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমাদের সেনাবাহিনীর জন্ম। স্বাধীন দেশের উপযোগী একটি শক্তিশালী এবং প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী গড়ে তোলার জন্য জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন।
বিভিন্ন সেনানিবাসের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি একটি বিশ্বমানের মিলিটারি একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭৪ সালে কুমিল্লা সেনানিবাসে তিনি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির উদ্বোধন করেন।

১৯৭৫ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপন অনুষ্ঠানে জাতির পিতা উপস্থিত ছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তার সেদিনের ভাষণের অংশ বিশেষ উদ্বৃত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐদিন তার বক্তৃতায় নবীন সামরিক অফিসারদের পেশাগতভাবে দক্ষ, নৈতিক গুণাবলিসম্পন্ন এবং দেশপ্রেমের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে গড়ে উঠার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা প্রধান। এসময় তিনি কৃতি ক্যাডেটদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ৩৪৩ জন বাংলাদেশি, পাঁচজন ফিলিস্তিনি ও দুইজন শ্রীলঙ্কান ক্যাডেটসহ মোট ৩৫০ জন ক্যাডেট কমিশন লাভ করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত ক্যাডেটদের মধ্যে ৭৫তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদী কোর্সে ২৯৩ জন পুরুষ ও ৫০ জন নারী রয়েছেন।

লঘুচাপের প্রভাবে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের কারণে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকায় মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

 একই সঙ্গে দেশের অন্যত্র কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারী ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।


সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। ফলে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আকাশ আংশিক মেঘলাসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

 এছাড়া আগামী তিনদিন রাতের তাপমাত্রা হ্রাস পাবে বলে জানানো হয়েছে।


এদিকে, সোমবার সকাল ৯টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায়, ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আর সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে, ২৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget